‘একেন বাবুর মাথায় চুল গজালেও, তৃণমূল আর ফিরবে না’, তৃণমূলকে নিশানা করে রসিকতা শমীকের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজনীতির মঞ্চে কটাক্ষ, ব্যঙ্গ আর রসবোধ— এই তিন অস্ত্রেই বারবার শিরোনামে উঠে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। কখনও কবিতার লাইন, কখনও সিনেমার প্রসঙ্গ টেনে বিরোধীদের আক্রমণ করতে দেখা যায় তাঁকে। এবার তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জনপ্রিয় চরিত্র ‘একেনবাবু’-কে টেনে এনে ফের চর্চার কেন্দ্রে শমীক ভট্টাচার্য।
একেনবাবু-কে টেনে খোঁচা শমীকের (Shamik Bhattacharya)
এবার ফলতার জনসভা থেকে শমীক ভট্টাচার্যের নতুন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের আগে বিজেপির নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য এমন এক মন্তব্য করেন, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, সর্বত্র হাসির রোল উঠেছে।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শমীক বলেছিলেন, “মাথার উপরে আকাশ ও পায়ের তলার মাটি এক হয়ে যেতে পারে। সমুদ্রের সঙ্গে আকাশও মিশে যেতে পারে। অনুপম খেরের টাক মাথাতেও চুল গজিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু বাংলায় তৃণমূল আর ফিরবে না।”
সেই অনুপম খের প্রসঙ্গের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফলতার সভা থেকে নতুন উপমা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত সভায় তিনি বলেন, “আগের সরকারের আমলে নেতা, মন্ত্রী আর পুলিশ-প্রশাসন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রতিকূলতার মধ্যেও ডায়মন্ড হারবারে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আজ মানুষ তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে নির্বাসিত করে দিয়েছে।” এরপরই কৌতুকের সুরে যোগ করেন, “একেনবাবুর মাথায় চুল গজালেও গজাতে পারে, তবু তৃণমূল আর কোনও দিন এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে পারবে না।”
শমীকের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজের চরিত্র ‘একেনবাবু’-র সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, “শমীকবাবু এই কথাটা আগেও বলেছেন। আজকেই প্রথম নয়। সেই ক্লিপিংও আমি দেখেছি। আমার পুরো ব্যাপারটাই অত্যন্ত মজার লেগেছে।”

আরও পড়ুন : কবি সুভাষ স্টেশন ভাঙার কাজ শুরু, কবে থেকে চালু মেট্রো পরিষেবা?
রাজনৈতিক তরজা, নির্বাচনী উত্তাপ আর তার মাঝেই সিনেমা-ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয় চরিত্রকে ঘিরে এমন হালকা মেজাজের মন্তব্য এখন রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। শমীক ভট্টাচার্যের এই রসিকতা যে সাধারণ মানুষের কাছেও আলাদা করে নজর কেড়েছে, তা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট।



