Child falls into pot of boiling water at an Anganwadi centre in Bhangar

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ফুটন্ত জলের পাত্রে পড়ে গেল এক শিশু! শরীরের একাধিক অংশ পুড়ে গিয়ে ওই শিশু এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে। জানা গিয়েছে, ওই অঙ্গনওয়াড়ির দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা ও রাঁধুনি সেখানে ছিলেন না! কেন কাজের সময়ে দু’জনে উপস্থিত থাকলেন না? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা এদিন বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পোলেরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি দিন কয়েক আগের। ভাঙড়ের পোলেরহাট থানার স্বরূপনগর এলাকায় ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলাকার বাচ্চারা পড়াশোনার জন্য যায়। সেখানে খাওয়াদাওয়াও দেওয়া হয় শিশুদের। দিন কয়েক আগে সেই শিক্ষিকা ও রাঁধুনির অনুপস্থিতিতে ঘটে গেল মারাত্মক ঘটনা। অভিযোগ, শিক্ষিকার অনুপস্থিতিতে এক প্রতিনিধি শিশুদের পড়ানো, দেখাশোনা এবং রান্নার কাজ করছিলেন। সেসময় এক শিশু রান্নার জন্য রাখা ফুটন্ত জলের পাত্রে পড়ে যায়! মুহূর্তে পুড়ে যায় শরীরের বহু জায়গা।
শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে জিরেনগাছা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তাকে কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করানো হয়। সেখানেই ওই শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি। শিক্ষিকা ও রাঁধুনির দায়িত্বে গাফিলতির জন্যই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ দেখান। শাস্তির দাবিও তোলেন। অভিযোগ, শিশুদের নিরাপত্তায় চরম উদাসীনতার জন্যই এই দুর্ঘটনা। একজনকেই শিশুদের দেখাশোনা ও রান্নার মতো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উত্তেজনার খবর পেয়ে পোলেরহাট থানার পুলিশ সেখানে যায়। কেন ওই শিক্ষিকা ও রাঁধুনি অনুপস্থিত ছিলেন? কতটা গাফিলতি তাঁদের রয়েছে? ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কীভাবে কাজ হয়? সেইসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এরপরই উত্তেজনা কমে বলে খবর।
শেয়ার
লিংক



