0%

হরিয়ানা পদক আনে, মুনাফা গুজরাটের! কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন নিয়ে ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সাংসদ

সদ্য শেষ হয়েছে কমনওয়েলথ গেমস। আগামী গেমসের আয়োজক হিসাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে ভারতকে। ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে বসবে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। এহেন পরিস্থিতিতে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন কংগ্রেস সাংসদ দীপিন্দর হুডা। তাঁর প্রশ্ন, দেশের অধিকাংশ পদক আনেন হরিয়ানার খেলোয়াড়রা। তাহলে গুজরাটে কেন কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন?

সাম্প্রতিক অতীতে ক্রীড়াক্ষেত্রে আহমেদাবাদের ‘বাড়বাড়ন্ত’ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্বকাপ ফাইনাল, ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ ম্যাচ থেকে শুরু করে টিম ইন্ডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ-সবই খেলা হয়েছে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এবার কমনওয়েলথ গেমসের আসরও বসছে গুজরাটের এই শহরে। প্রতিযোগিতার ফলে বিরাট সংখ্যক অ্যাথলিট, কোচ, কর্মকর্তা, সমর্থক, মিডিয়া কর্মীরা ভারতে আসবেন। এতে দেশের পর্যটন, হসপিটালিটি, বাজার, পরিবহণ খাতে অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি পাবে। কমনওয়েলথ গেমস কেবল ক্রীড়া উৎসবই নয়, এতে ক্রীড়া বিজ্ঞান, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্রডকাস্টিং, আইটি এবং জনসংযোগ-সহ বহু খাতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই সুযোগসুবিধা কেন আহমেদাবাদই পাবে? প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ। দীপিন্দরের তোপ, হরিয়ানার খেলোয়াড়রা পদক জেতেন, কিন্তু গেমসের আয়োজনের অধিকার পায় গুজরাট। সদ্যসমাপ্ত কমনওয়েলথ গেমসে হরিয়ানার খেলোয়াড়রা সাতটি সোনা জিতেছেন। মোট ১০টি পদক পেয়েছেন সেরাজ্যের অ্যাথলিটরা। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি বলেছেন, “আমাদের রাজ্য দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রীড়া কেন্দ্র।” এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই দীপিন্দরের দাবি, হরিয়ানাকেও আয়োজনের দায়িত্ব দিতে হবে।

যদিও কমনওয়েলথ পদকজয়ী তথা বিজেপি নেত্রী ববিতা ফোগাট পালটা দিয়েছেন দীপিন্দরকে। তাঁর প্রশ্ন, ২০১০ সালে দিল্লিতে কমনওয়েলথ গেমস হয়েছিল। তখন কেন হরিয়ানায় আয়োজন করা হয়নি? নির্দিষ্ট কোনও শহর বা রাজ্য নয়, এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্বে থাকে দেশ, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন ববিতা। উল্লেখ্য, সদ্যসমাপ্ত কমনওয়েলথ গেমসে গুজরাটের অ্যাথলিটরা কোনও পদক পাননি। 

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker