0%

‘ইনফান্তিনোকে ভোট দেব না’, নির্বাচনের আগেই ঘোষণা ইংল্যান্ডের, কোণঠাসা ফিফা প্রেসিডেন্ট

আর মাত্র কয়েকটা মাস। তারপরই ফিফা থেকে ‘বিতাড়িত’ হবেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো? তেমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ইতিমধ্যেই ইংল্যান্ড, ওয়েলসের মতো একাধিক দেশ জানিয়ে দিয়েছে, ইনফান্তিনোকে ফের প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে দেখতে চায় না তারা। অর্থাৎ ভোটে দাঁড়ালেও এই দেশগুলির ভোট পাবেন না ইনফান্তিনো। একাধিক মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। ফলে ফিফা প্রেসিডেন্টের গদি টলমল।

ইনফান্তিনো ইচ্ছা ছিল বিশ্বকাপ-সহ ফিফার যাবতীয় টুর্নামেন্টের শেয়ার বেসরকারি হাতে তুলে দিয়ে মোটা অঙ্কের মুনাফা কামানো। ইনফান্তিনোর এই প্রকল্প ঘোষণার পরই বিশ্ব ফুটবলজুড়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। উয়েফা পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। শুধু উয়েফা নয়, বাকি মহাদেশগুলোও বিরোধিতা শুরু করে দেয়। এএফসি। কনকাকাফ। প্রত্যেকে। ফিফা প্রেসিডেন্টের আরও চাপ বাড়ে, যখন তাঁর পরামর্শদাতা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বের বিরোধিতায় ইনফ্যান্তিনোর এই প্রকল্প আটকানো গিয়েছে।

তবে ফুটবলমহলের এই অসন্তোষ আগামী দিনেও গড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উয়েফার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবে তারা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নোটিস পাঠিয়ে দেওয়া হবে ফিফার দপ্তরে। উয়েফার অধীনস্থ ৫৫টি দেশের ফুটবল সংস্থাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। ইনফান্তিনোকে সরাতে যদি অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়, তাহলে তাঁরা সমর্থন করবেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে হলে ৪৩টি দেশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাটা উয়েফার হাতে আছে।

স্রেফ উয়েফা নয়, এবার দেশগুলিও প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর বিরোধিতা শুরু করল। প্রথম দেশ হিসাবে ওয়েলস জানিয়ে দিল, পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে ইনফান্তিনোকে তারা আর সমর্থন করবে না। একই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইংল্যান্ডও। আগামী বছর মার্চ মাসে ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে। ১০৬টি ভোট লাগবে জেতার জন্য। সেটা ইনফান্তিনোর বিপক্ষে পড়তে পারে, এমন সম্ভাবনাই প্রবল।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker