0%

ওয়াঘা সীমান্তে ভারতের সেনা আধিকারিককে স্যালুট পাক রেঞ্জারের! সংঘাতের মাঝেই চর্চায় ভিডিও

দীর্ঘদিন সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা ও অপারেশন সিঁদুরের পর সেই সম্পর্ক এখন সাপে-নেউলে হয়ে উঠেছে। দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এবার সামনে এল এক ভিডিও। যাকে ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়। যদিও এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ভারতীয় সেনা আধিকারিককে সম্মান জানিয়ে স্যালুট করছেন পাকিস্তানের এক রেঞ্জার। প্রত্যুত্তরে সৌজন্যসূচক মাথা নাড়েন ভারতীয় আধিকারিক।

জানা যাচ্ছে, এই ভিডিওটি আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে। দুই দেশের সেনার দৈনিক প্যারেডের সময় ভিডিওটি তোলা হয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে দুই দেশের সীমান্তে বিরাট গেটের উভয়পাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। অনুষ্ঠান চলাকালীন এক পাকিস্তানি রেঞ্জার এক ভারতীয় সেনা আধিকারিককে হাত তুলে স্যালুট জানান। পালটা ভারতের আধিকারিক সৌজন্যমূলকভাবে মাথা নেড়ে তার প্রত্যুত্তর দেন। দুই দেশের ভু-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ভিডিও ঘিরে নেট পাড়ায় শুরু হয়েছে চর্চা।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক প্রোটোকল অনুযায়ী সীমান্তে যৌথ অনুষ্ঠান বা ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের সময় এমন পেশাদারি সৌজন্য প্রদর্শন সাধারণ ঘটনা।

তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক প্রোটোকল অনুযায়ী সীমান্তে যৌথ অনুষ্ঠান বা ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের সময় এমন পেশাদারি সৌজন্য প্রদর্শন সাধারণ ঘটনা। ঠিক সেটাই ঘটেছে এখানে। দেশ আলাদা হলেও এই ধরনের অনুষ্ঠানে নিম্ন পদমর্যাদার ব্যক্তিদের তরফে উচ্চপদমর্যাদার ব্যক্তিদের অভিবাদন জানানোই রীতি। আন্তর্জাতিক সামরিক ঐতিহ্য অনুযায়ী সীমান্তের কোনও সামরিক অনুষ্ঠানে কঠোর পেশাদারী আচরণবিধি মেনে চলা হয়। সেখানে উর্দিধারীদের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রোটোকলেরই অংশ। উচ্চপদাধিকারী কাউকে অভিবাদন জানানো হলে নিম্ন পদমর্যাদার সেই ব্যক্তির প্রতি সৌজন্যমূলক আচরণ যেমন মাথা নাড়ানো বা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রথা প্রচলিত রয়েছে। এখানে তার ব্যতিক্রম হয়নি।

তবে ভিডিও সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় কমেন্ট করেছেন বহু মানুষ। পাকিস্তানের এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের সেনা অত্যন্ত পেশাদার। তারা সেনাবাহিনীর ঐতিহ্য যথাযথভাবে অনুসরণ করে।’ ভারতীয় এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘এখানে ব্যক্তি পরিচয় নয়, সেনার উর্দি ও পদমর্যাদাকে সম্মান জানানো হয়েছে। এখানে রাজনীতির চেয়ে প্রটোকলই গুরুত্বপূর্ণ।’ তৃতীয় একজন লিখেছেন, ‘একেই বলে নিখুঁত পেশাদারিত্ব। যেহেতু ভারতীয় আধিকারিক উচ্চপদস্থ তাই প্রত্যুত্তরে স্যালুট না করে মাথা নেড়ে সম্মানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।’

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker