মিলবে তো না-ই, উল্টে ফেরত দিতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা! অগাস্টের কিস্তি নিয়ে তোলপাড়

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। ইতিমধ্যেই পরপর দু’মাস ভাতার টাকা ঢুকে গিয়েছে বহু মহিলার অ্যাকাউন্টে। অগাস্ট মাসে টাকা ঢোকার অপেক্ষায় সকলে। এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিযোগ, আবেদন জমা করলেও বহু প্রকৃত ও ‘যোগ্য’ উপভোক্তা প্রকল্পের সুবিধা পাননি। এই সমস্যার সমাধানে এবার বড় পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে তুমুল কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত | Annapurna Yojana
এবারে যাতে একজন যোগ্যও বাদ না যায় তাই সমস্ত বিধায়কদের বিরাট দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তা ঢোকাতে এবং অযোগ্যদের খুঁজে বের করতে বিধায়কদের জনসংযোগ বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সম্প্রতি। সেই মতো ময়দানেও নেমে পড়েন বিধায়করা।
সূত্রের খবর, অগাস্ট মাসের টাকা কড়া ভাবে যাচাই করে তবেই দেওয়া হবে। জুলাই মাসের টাকা নিয়ে বিতর্ক হওয়ায় যাচাই বা ভেরিফিকেশন হয়েছে। জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনা’র অধীনে নাম নথিভুক্ত হলেও, আবারও নথিপত্র যাচাই করে যদি দেখা যায় কোনো ‘অযোগ্য’ উপভোক্তা রয়েছেন তাহলে তাদের নাম বাদ যেতে পারে।
জানা যাচ্ছে, ভুল নথিপত্র জমা দিয়ে এই প্রকল্পের সুবিধা নিলেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পারিবারিক বার্ষিক আয় এক লক্ষ টাকার বেশি এরকম অনেক নাম ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র তালিকায় যুক্ত হয়েছে। আবার অনেকের পাওয়ার কথা, তাঁরা যোগ্য, তাঁদের নাম বাদ চলে গিয়েছে। আধিকারিকদের ওপর ভরসা করলে চলবে না, এবার বিধায়কদের জনসংযোগ বাড়াতে হবে।’
একাধিক রিপোর্টে এমনটাও দাবি করা হচ্ছে, শুধুমাত্র অযোগ্যদের চিহ্নিত করে বাদ নয়, ভুল নথিপত্র দেখিয়ে যারা সুবিধা নিয়েছেন তাঁদের কাছ থেকে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ৩০০০ টাকা ফেরতও নেওয়া হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে সরকারি তরফে কোনো আপডেট নেই। সবটাই জল্পনা মাত্র।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণার টাকা কবে ঢুকবে? আগস্ট মাসের কিস্তি নিয়ে বড় কথা জানাল সরকার
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রকল্পের তালিকায় অযোগ্য কারা, যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কাদের নাম যুক্ত হয়নি, সেই তালিকা বিধায়কদের দ্রুত তৈরি করে দিতে বলা হয়েছিল। যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ এসেছে মুখ্যমন্ত্রী তরফে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘একজন যোগ্য মহিলাও ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ থেকে বঞ্চিত হবেন না। আবার অযোগ্যরা যেন এই প্রকল্পের সুবিধা না পান, তাও খেয়াল রাখতে হবে।’




