হাসপাতালে ‘মৃত’ ঘোষণা! শেষকৃত্যের পথে রাস্তার গর্তে অ্যাম্বুল্যান্সের চাকা, তীব্র ঝাঁকুনিতে চোখ খুললেন মহিলা

রাস্তার খানাখন্দে দুর্ঘটনা নয়। গর্ত এবার বাঁচিয়ে তুলল মৃতাকে! মৃত ঘোষণা করেছিল নার্সিংহোম। শোকবার্তা পরিবারের সকলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন আত্মীয়রা। অ্যাম্বুল্যান্স করে শেষবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখনই মিরাকল! অ্যাম্বুল্যান্সের চাকা গর্তে পড়তেই তীব্র ঝাঁকুনিতে চোখ খুললেন মহিলা। তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, মহিলা বেঁচে রয়েছেন। চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
ঘটনাটি অন্ধ্রপ্রদেশের এলুরু জেলার। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ভুজবলাপত্তনম গ্রামের প্রাক্তন প্রধান গুরাজলা রামথুলাসি। ৪৮ বছর বয়সি গুরাজলার কিডনি-সহ একাধিক সমস্যা রয়েছে তাঁর। দিনকয়েক আগে এলুরুের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, ভেন্টিলেটর সার্পোটে রাখা হয়েছিল তাঁকে। উন্নত চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।
শেষকৃত্যের জন্য ‘দেহ’ অ্যাম্বুল্যান্স করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় পুলাপাররু গ্রামের কাছে একটি গর্তে পড়ে অ্যাম্বুল্যান্সের চাকা। তীব্র ঝাঁকুনি হয়। তাতেই নড়েচড়া শুরু করেন মহিলা। তড়িঘড়ি অ্যাম্বুল্যান্স ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। তারপর অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় অবাক এলাকাবাসী। প্রিয়জনকে কাছে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা পরিবারের সদস্যরা। তারা চাইছে দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুক গুরাজলা।



