‘স্বর্ণাক্ষরে স্মরণ করবে ইতিহাস’, ‘সুপার স্পাই’ অজিত ডোভালকে লোকমান্য তিলক পুরস্কার শাহের

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা ‘সুপার স্পাই’ অজিত ডোভালকে লোকমান্য তিলক পুরস্কারে পুরস্কৃত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার পুণেতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডোভালের হাতে এই পুরস্কার তুলে দিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনতে অজিত দোবালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে তাঁর নাম স্মরণ করবে।’
এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের দ্বারা সংঘটিত ১৩টি বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ডোভাল আমায় গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। যার ভিত্তিতে গুজরাট পুলিশ দেশজুড়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের রহস্য উন্মোচিত হয়। দেশের প্রতি তাঁর কাজের এমন অনেক দিক রয়েছে যা এখনও মানুষ জানেন না। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ডোভালকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেন। তাঁর কার্যকালে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবর্তন আনা এবং সামরিক বাহিনীর মধ্যে প্রযুক্তি ও দক্ষতার উন্নত সমন্বয় সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।”
শাহ বলেন, ‘দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনতে অজিত দোবালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে তাঁর নাম স্মরণ করবে।’
শাহ আরও বলেন, “গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছেন। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অজিত ডোভালের বিরাট অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, “তিলক মেমোরিয়াল ট্রাস্টের তরফে আমায় ফোন করে জানানো হয়েছিল, এই বছর লোকমান্য তিলক পুরস্কারের জন্য অজিত ডোভাল নির্বাচিত হয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে আমি থাকতে পারব কিনা জানতে চাওয়া হয়। আমি বলেছিলাম, অবশ্যই আসব এবং ডোভালজিকে এই পুরস্কার দিতে পারলে আমি আনন্দিত হব।”
উল্লেখ্য, লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার হল দেশের অত্যন্ত সম্মানীয় এক পুরস্কার। প্রতি বছর ১ আগস্ট লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলকের মৃত্যুবার্ষিকীতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই দেশের উন্নয়ন, জাতীয় সুরক্ষা এবং দেশসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য দেওয়া হয় পুরস্কারটি। ১৯৮৩ সালে তিলক স্মারক মন্দির ট্রাস্ট এই পুরস্কারটি চালু করে।
শেয়ার
লিংক



