Tulu Mondal has fled to Dubai

বিপুল সম্পত্তি দেখে ভিরমি খাওয়া অবস্থা রাজ্যবাসী! অবৈধ উপায়ে পাথর খাদান চালানোর অভিযোগ। গ্রেপ্তার হচ্ছেন শাগরেদরা। কিন্তু খোঁজ নেই সেই টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবুদ্দিন মণ্ডলের। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, টুলু বিদেশে পালিয়েছেন। এবার জানা যাচ্ছে, দুবাইয়ে মেয়ে ও জামাইয়ের কাছে গিয়েছেন। তিনি সেখানেই রয়েছে। এ দিকে পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, টুলুর পার্কিংয়ের জমির মধ্যে রয়েছে সরকারি খাস জমিও। তবে তার পরিমাণ কতটা জানা যায়নি। টুলুর পাথরের ব্যবসা কোনও ট্রেড লাইসেন্সও নেই বলেও অভিযোগ উঠেছে। সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এ দিকে গতকাল শনিবার রাতে মিনার মণ্ডলকে নিয়ে টুলুর মূল অফিসে হানা দেয় পুলিশ। মহম্মদবাজার থানা এলাকার সোঁতশালে টুলু মণ্ডলের পাথর কারবারের মূল অফিসে যান আধিকারিকরা। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর হাতে বেশ কিছু ফাইল নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। সিল করে দেওয়া হয় অফিস। কী পাওয়া গিয়েছে তা জানা যায়নি।
এই দিকে এই ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স টুলুর কাছে রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইসেন্স আছে কি না, তা জানা যায়নি। থাকতেও পারে। আবার না থাকতেও পারে বলে জানিয়েছে সমিতির সূত্র। সমিতিরই এক সূত্র জানাচ্ছে, “আসলে ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা, তা জানার পরিস্থিতিই ছিল না। টুলু নিজেই সব কন্ট্রোল করতেন।” আরও জানা গিয়েছে, পাথর খাদান ব্যবসা ও ব্যবহৃত পার্কিং এরিয়ার রয়েছে কিছু জমি সরকারি খাস জমি। তার পরিমাণ জানা নেই। মাপ-জোঁক শুরু হলে তা স্পষ্ট হবে।
অন্যদিকে, টুলুর মেয়ের নামে একটি পেট্রোল পাম্পের খোঁজ মিলেছে। সেটি সিজ করেছে পুলিশ। পাশাপাশি টুলুর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দুই হিসাব রক্ষক পুলক দে ও রেখিউল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এই সব কিছুর মাঝে টুলুর পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার জানিয়েছেন, টুলু মণ্ডলের মেয়ে শালমা অন্তঃসত্ত্বা। তাঁরা দুবাইয়ে রয়েছেন। নাজিবুদ্দিন তাঁদের কাছেই গিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
শেয়ার
লিংক



