Municipal Corporation orders demolition of illegal high-rise in Durgapur

অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান না মেনেই গজিয়ে উঠেছে প্রকাণ্ড বহুতল! আবাসনের অতিরিক্ত অংশ নির্মাণের অভিযোগ পেতেই কড়া ব্যবস্থা নিল দুর্গাপুর নগর নিগম। অভিযোগের তদন্তে নির্মাণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পরেই আবাসন মালিককে ১৫ দিনের ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে। বেআইনি অংশ নিজের দায়িত্বে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল নগর নিগম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই নির্দেশ কার্যকর না হলে পুরসভাই আইন মেনে বেআইনি অংশ ভেঙে দেবে। সেই ক্ষেত্রে ভাঙার সম্পূর্ণ খরচও মালিকের কাছ থেকেই আদায় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুরসভা সূত্রে খবর, বেনাচিতির এমকেপ্লট এলাকার বাসিন্দা নিত্যগোপাল রায় ও মিঠু রায়ের বিরুদ্ধে বেআইনি বহুতল নির্মাণের অভিযোগ জানান গোপালপুরের বাসিন্দা সন্তনু মিশ্র। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৫ জুন দুর্গাপুর নগর নিগমের বিল্ডিং ইন্সপেক্টর ও সার্ভেয়ার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের রিপোর্ট জমা পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বিল্ডিং ইন্সপেক্টর ও সার্ভেয়ারের যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট এবং অনুমোদিত নকশা খতিয়ে দেখে নগর নিগমের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দেখতে পান, বাস্তবে যে নির্মাণ হয়েছে, তার সঙ্গে অনুমোদিত প্ল্যানের সঙ্গে তার কোনও প্ল্যান নেই। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই গত ৩০ জুলাই আদেশনামা জারি করে দুর্গাপুর নগর নিগম।
গত ২৪ জুলাই দুর্গাপুর পুরসভায় অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত দুই পক্ষকে নিয়ে শুনানি হয়। অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ২০১৪ সালে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যানের একটি কপিও জমা দেওয়া হয়। শুনানিতে বিল্ডিং ইন্সপেক্টর ও সার্ভেয়ারের যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট এবং অনুমোদিত নকশা খতিয়ে দেখে নগর নিগমের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দেখতে পান, বাস্তবে যে নির্মাণ হয়েছে, তার সঙ্গে অনুমোদিত প্ল্যানের সঙ্গে তার কোনও প্ল্যান নেই। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই গত ৩০ জুলাই আদেশনামা জারি করে দুর্গাপুর নগর নিগম। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, অনুমোদিত নকশার বাইরে অথবা যথাযথ অনুমতি ছাড়া নির্মিত সমস্ত অংশ ১৫ দিনের মধ্যে বাড়ির মালিককে নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলতে হবে। পাশাপাশি ভাঙার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর তার একটি রিপোর্টও নগর নিগমের কাছে জমা দিতে হবে।
দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাদের কাছে অবৈধ ফাইল আছে আর অবৈধ নির্মাণ করেছে সকলের কাছেই নোটিশ যাবে। তৃণমূল আমলে ১৪ টা ফাইল দুর্গাপুর নগর নিগম ও আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ মিলে নবান্ন থেকে করিয়ে আনা হয়েছিল। সরকারি নিয়ম ভেঙে যারা এসব কাজ করেছে কাউকে ছাড়া হবে না।”
শেয়ার
লিংক



