Irregularities in Mid-Day Meal portal, Headmaster in Potashpur show-cause

স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতির হার এক। অথচ, সরকারি পোর্টালে তার সংখ্যাটা একেবারে ভিন্ন! পটাশপুরে নৈপুর শান্তিসুধা ইনস্টিটিউশন সারপ্রাইজ ভিজিটে যেতেই চোখ কপালে উঠল বিডিও-র। দেখা গেছে, স্কুলে একদিনে পড়ুয়া সংখ্যা যা, তার চেয়ে সরকারি পোর্টালে পড়ুয়ার সংখ্যা অনেক বেশি দেখিয়ে আপলোড করা হয়েছে। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিডিও।
আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কারচুপি হাতেনাতে ধরে ফেললেন পটাশপুর-১ ব্লকের বিডিও করিমুল ইসলাম। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে স্কুলের প্রধানশিক্ষক বিকাশ বেরাকে ইতিমধ্যেই শো-কজ নোটিশ ধরিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
মিড-ডে মিলের রান্নায় খাতার কলমে দ্বিগুণ ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি দেখিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর থানার নৈপুর শান্তিসুধা ইনস্টিটিউশনে। আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কারচুপি হাতেনাতে ধরে ফেললেন পটাশপুর-১ ব্লকের বিডিও করিমুল ইসলাম। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে স্কুলের প্রধানশিক্ষক বিকাশ বেরাকে ইতিমধ্যেই শো-কজ নোটিশ ধরিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, নৈপুর শান্তিসুধা ইনস্টিটিউশনে দীর্ঘদিন ধরে মিড-ডে মিলের বন্টন ও নথিপত্রে গরমিল করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। অধিকাংশ অভিযোগের তির ছিল স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দিকেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে মিড-ডে মিলের রান্না চলাকালীন হঠাৎই ওই স্কুলের রান্নাঘরে সারপ্রাইজ ভিজিটে পৌঁছান পটাশপুর-১ ব্লকের বিডিও করিমুল ইসলাম।ঘটনাস্থলে পরীক্ষা করে বিডিও দেখতে পান,বাস্তবে যতজন ছাত্রছাত্রীর জন্য রান্না হচ্ছে, সরকারি খাতায় তার ১০গুণ সংখ্যক শিক্ষার্থীর নামে মিড-ডে মিল দেখানো হয়েছে।
বিডিও সঙ্গে সঙ্গে ওই গরমিল নিয়ে প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপরই বিডিও করিমুল ইসলাম প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান শিক্ষকের হাতে শো-কজ নোটিশ তুলে দেন এবং দ্রুত লিখিত জবাব তলব করেন। সরকারের মিড-ডে মিল প্রকল্পে এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।
শেয়ার
লিংক



