0%

গ্যাস, অম্বল না অ্যাংজাইটি? বুকের ব্যথার ফারাক বুঝবেন কিভাবে?

অনেকেই অনেক শারিরীক সমস্যাকেই স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন। কিছুক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ না নিলে হতে পারে বিপদ।হঠাৎ বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্টের মত উপসর্গ দেখলে অনেকেই ধরে নেন এটি গ্যাসজনিত সমস্যা। তবে চিকিৎসকের মতে, একই ধরনের লক্ষণ অ্যাংজাইটিরও হতে পারে। না বুঝে ভুল অসুধ খেলে পড়তে পারেন বিপদে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস বা বদহজম হলে পেট ফোলা ও অস্বস্তি, ঢেকুর ওঠা , পেটে ক্র্যাম্পিং বা ব্যথা, খাওয়ার পর সমস্যা তৈরির মত লক্ষণ দেখা যায়।
অ্যান্টাসিড খেলে বা সাধারণ ঘরোয়া টোটকাতেই মেলে সমাধান।

অপরদিকে মানসিক চাপ বা হঠাৎ ভয়ের কারণে অ্যাংজাইটি দেখা দিতে পারে বুক ধড়ফড় বা চাপের অনুভূতি, শ্বাস নিতে কষ্ট, ঘাম, হাত-পা কাঁপা, মাথা হালকা লাগা, ঘোরাভাব খাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই গ্যাসের ওষুধে আরাম পাওয়া যায় না।

কেন অনেক সময়তেই গ্যাস আর অ্যাংজাইটির মধ্যে পার্থক্য করা যায়না জানেন?

কারণ কিছু মিল রয়েছে লক্ষণের ক্ষেত্রে। বিশেষজ্ঞদের মতে গ্যাস জমলে বুকের মাঝখানে চাপ বা ভারী ভাব অনুভব হয়। একইভাবে অ্যাংজাইটির সময়ও বুক চেপে ধরার মতো অনুভূতি হতে পারে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়

গ্যাসের কারণে পেট ফুলে গেলে শ্বাস নিতে অস্বস্তি হতে পারে। আবার অ্যাংজাইটির সময় দ্রুত শ্বাস নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যা একই রকম অনুভূতি তৈরি করে।

গ্যাস জমলেও হঠাৎ অস্বস্তি শুরু হতে পারে, আবার অ্যাংজাইটির ক্ষেত্রেও আচমকা অস্বস্তি হয়। এই আকস্মিকতাই বিভ্রান্তির মূল কারণ।

দুটিরই কিছু লক্ষণ হার্টের সমস্যার মতো লাগতে পারে। তাই অনেক সময় বুঝতে বেশ অসুবিধা হয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে?

বুকের ব্যথা ১৫–২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে, ব্যথা বাম হাতে বা চোয়ালে ছড়িয়ে গেলে, বমি, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে গেলে। এমন উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই পরামর্শ নিন ডাক্তারের।
খাওয়ার পর পেট ভারী বা অম্বল থাকলে সাধারণত সেটা গ্যাস, হঠাৎ ভয়, অস্থিরতা ও বুক ধড়ফড় হলে অ্যানজাইটি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সন্দেহ হলে ডাক্তার দেখানোই নিরাপদ।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker