ফ্রিজ হওয়া অ্যাকাউন্ট খোলাতে হাইকোর্টে গিয়েও মুখ পুড়ল তৃণমূলের! পিছোলো শুনানি

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্রিজ হয়ে যাওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (TMC A/c Freeze) খোলার জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়েছিল। যেটা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে উঠেছিল ও তিনি মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন। ঠিক কি কারণে ‘ডেবিট ফ্রিজ’ হল সেটা জানতে আদালতের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেছিল দল। তবে জরুরি শুনানির আবেদন করা হলে সেটা ফিরিয়ে দিল হাইকোর্ট। আগামী শুনানি হবে বুধবার।
খারিজ তৃণমূলের TMC A/c Freeze নিয়ে জরুরি শুনানির আবেদন!
এদিন তৃণমূলের তরফের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট । তাই জরুরী শুনানি চাইছি। যার পাল্টা বিচারক বলেন, মামলা করতেই পারেন। তবে আজ-কাল নয়, পরশুদিন আসুন। সুতরাং আগামী বুধবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। ফলে তৃণমূল তথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের অস্বস্তি কিছুটা বাড়ল।
মূলত আর্থিক কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত দিয়ে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। চিঠিতে নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে জানান প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী, অরূপ। সাথে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছিল সেন্ট্রাল প্লাজার তিনটি HDFC Bank এর অ্যাকাউন্টও। বিধায়কের মতে, তোলাবাজি, অবৈধ উপায়ে টাকা তোলা থেকে পদের অপব্যবহার করার জন্য এই অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘ঋতব্রত নিজেই বহিষ্কৃত, আবার নাকি মমতাকে অপসারণ করবে’! বিস্ফোরক কুণাল
কোন কোন ধারায় অভিযোগ?
যেমনটা জানা যাচ্ছে শুধুই লিখিত অভিযোগ নয়, সাথে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারায় উল্লেখ করা হয়েছিল। ২০২৩ ও তথ্য প্রযুক্তি আইন, ২০০০ এর ধারা ৬১ অনুযায়ী অপরাধমূলক যড়যন্ত্র, বিশ্বাসভঙ্গের ধারা ৩৬১ ও ৩১৮ ধারায় প্রতারণার মত একাধিক অভিযোগ করা হয় সেদিন। এখানেই শেষ নয়, ইলেক্ট্রনিক প্রমাণ থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেনের হিসাবে মুছে ফেলা বা বিকৃত করা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, অরূপ বিশ্বাসের চিঠির পর বৃহস্পতিবার রাত্রেই বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের তরফ থেকে চিঠি দিয়ে এলাকার কোনো ব্যাঙ্কে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থাকলে তাতে লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করিয়ে দেওয়ার কারণে শোকজ করা হয়েছিল অরূপকে। যার উত্তরে তিন পাতার জবাবও জমা দিয়েছেন তিনি।




