0%

যুদ্ধের কৌশলে পরিবর্তন! গুগল-মেটা-অ্যাপলের মতো মার্কিন সংস্থায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

বাংলাহান্ট ডেস্ক: এবার ইরানের (Iran) নিশানায় মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি। পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার আবহে ফের একবার নতুন করে উদ্বেগ বাড়াল ইরান। এবার সরাসরি মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিকেই নিশানা করার হুঁশিয়ারি দিল ইরান সেনার এলিট বাহিনী আইআরজিসি। তাদের দাবি, আমেরিকা ও ইজরায়েলের ‘সন্ত্রাসী’ কার্যকলাপের প্রতিশোধ নিতেই তারা এই পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তবে সামরিক ঘাঁটির বদলে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার আঞ্চলিক অফিসকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণায় ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এবার মর্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের (Iran)

ইরানের প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলি— গুগল, মাইক্রোসফ্ট, অ্যাপেল, ইন্টেল-সহ আরও একাধিক মার্কিন ও বহুজাতিক সংস্থা। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর সংস্থাগুলিকেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইরানের বক্তব্য, যুদ্ধ পরিচালনা ও লক্ষ্য নির্ধারণে এই সংস্থাগুলির পরোক্ষ ভূমিকা থাকায় তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় ফের বৃষ্টির কামব্যাক! উত্তরে দমকা হাওয়ার হুঁশিয়ারি; আগামীকালের আবহাওয়ার খবর

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় ১ এপ্রিল রাত ৮টা  থেকে এই হামলা শুরু হতে পারে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত ১০টা থেকে এই হুঁশিয়ারি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কর্মী ও আধিকারিকদের দ্রুত অফিস খালি করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

তবে এই হুমকিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ আমেরিকা। হোয়াইট জানিয়েছে, যে কোনও ধরনের সম্ভাব্য হামলার মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে ওয়াশিংটন। এক শীর্ষ কর্তার দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অধিকাংশই ইতিমধ্যে প্রতিহত করা হয়েছে এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী। ফলে এই হুমকিকে তারা বড় করে দেখছে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।

আরও পড়ুন: ৮০,০০০ টাকায় শুরু স্টার্টআপ! এখন ১ কোটির টার্নওভার, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিতেই বাজিমাত নিষ্ঠার

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধে তথ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। শত্রুপক্ষের গতিবিধি, সামরিক পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণে তথ্যপ্রযুক্তি এবং এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই এই সংস্থাগুলিকে নিশানা করে ইরান (Iran) নতুন ধরনের যুদ্ধকৌশল গ্রহণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker