সরকারি কাজে গাফিলতি করলেই ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নতুন সরকার (State Government)। একদিকে সরকারি বণ্টন ব্যবস্থায় গাফিলতির অভিযোগ, অন্যদিকে ত্রাণ সামগ্রী কেলেঙ্কারিকে ঘিরে একাধিক জায়গায় উত্তেজনা, রাজ্যের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রাজ্যে মোট চারজন সরকারি আধিকারিকের (Government Employees) বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন সরকারের (State Government)
জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ধান ও চাল বণ্টন ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগে দুজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সরকারি ধানের পরিবর্তে সমপরিমাণ চাল রাইস মিলগুলির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়নি । পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাইস মিলগুলির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
আবার, ত্রিপল বিতরণে আর্থিক হিসাবের অসঙ্গতির অভিযোগে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিককেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। গত অর্থবর্ষে ত্রিপল বিতরণের হিসাব সঠিকভাবে মিল না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে এক BLRO-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে বীরভূমে বালি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে।
মোট চারজন সরকারি আধিকারিক এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগারওয়াল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ইচ্ছাকৃত ভাবে কেউ গাফিলতি করলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ তো হবেই।” অন্যদিকে, নদিয়ার নবদ্বীপে একটি ক্লাবঘরে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘ জটিলতার পর অবশেষে শনিবার ভোর প্রায় সাড়ে তিনটে নাগাদ ত্রাণ উদ্ধার মামলায় নবদ্বীপ পুরসভার পুরপিতা বিমানকৃষ্ণ সাহাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন :১ জুন থেকে LPG-তে বড় বদল, নতুন নিয়মে বাড়তে পারে সাধারণের খরচ
পুলিশি অভিযানে উদ্ধার হয় সরকারি ত্রিপল, কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন বছরের শাড়ি। দুর্নীতি ঘিরে অভিযোগ ও এর সাথে যুক্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থায় চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।




