0%

সিদ্ধান্ত বদল CBSE-র, বিতর্কিত সংস্থাকে দেওয়া হচ্ছে না পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব

সবদিক নিউজ: দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলপ্রকাশে ওএসএম পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল সিবিএসই। সেই কাজের দায়িত্ব যে এডুটেক সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে উত্তরপত্র স্ক্যানিং-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে ওই সংস্থাকেই পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেলেও সোমবার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বোর্ড। সংবাদসংস্থাকে সিবিএসই-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট এডুটেক সংস্থাকে পুনর্মূল্যায়ন সংক্রান্ত কোনও কাজ দেওয়া হচ্ছে না। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত বদল, সে বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, কোএম্পট এডুটেক-এর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভুয়ো নথি দেওয়া, উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ে ত্রুটি, সুরক্ষিত সফটওয়্যার ব্যবহার না করা—এসব অভিযোগের জেরে তেলঙ্গানার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার্থী এবং নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছিলেন। শুধু তাই নয়, রোবোটিক স্ক্যানারের বদলে সাধারণ মানের স্ক্যানার ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে। সেই স্ক্যানারের মাধ্যমেই সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র স্ক্যান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর ফলেই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বহু পরীক্ষার্থীর দাবি, স্ক্যান করা উত্তরপত্রের প্রতিলিপি ঝাপসা ছিল। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, সঠিক উত্তর লিখেও তাঁরা নম্বর পাননি। আবার অনেকের দাবি, তাঁদের খাতা ঠিকমতো দেখাই হয়নি।

সোমবার সিবিএসই-র তরফে এক্স হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, ২ জুন থেকে ৭ জুনের মধ্যে ১ লক্ষ ৬০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছেন। মোট আবেদনের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮০ হাজার। আইআইটি প্যানেলের পরামর্শ মেনে পুনর্মূল্যায়ন পোর্টালের মাধ্যমে পড়ুয়াদের অভিযোগের সমাধানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বোর্ড আরও জানিয়েছে, সিবিএসই-র পোস্ট রেজাল্ট সার্ভিসেস পোর্টাল থেকে সব পরীক্ষার্থী নথি দেখতে পারবেন না। যাঁরা আগে স্ক্যান করা উত্তরপত্রের প্রতিলিপির জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁরাই ওই পোর্টাল থেকে সেই নথি দেখতে পারবেন। তবে পুনর্মূল্যায়নের জন্য আলাদা পোর্টাল চালু করা হয়েছে, যেখানে সকল পরীক্ষার্থী আবেদন জানানোর সুযোগ পেয়েছেন। সিবিএসই-র দাবি, পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হবে। পড়ুয়াদের অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রাপ্য নম্বর থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হবে না। তবে লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়নে কেন এমন জটিলতা তৈরি হল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি বোর্ড।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker