7 bangladeshis sent to Lalgola holding Centre

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অবৈধভাবে ভারতে আসা বাংলাদেশিদের সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপরেই সীমান্তে বাড়ছে ভিড়। এরমধ্যেই আরও সাত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠালো জলঙ্গি থানার পুলিশ। আজ, মঙ্গলবার ধৃত সাত অনুপ্রবেশকারীকে লালগোলার পদ্মাভবনে গড়ে ওঠা হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। এই নিয়ে হোল্ডিং সেন্টারে সদস্য সংখ্যা বেড়ে হল ১০ জন। খুব শীঘ্রই সীমান্তের ওপারে তাদের ‘পুশ ব্যাক’ করা হবে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, সোমবার লালগোলার পদ্মভবনে হোল্ডিং সেন্টারের উদ্বোধন হয়েছে। এরপরেই লালগোলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে আসা তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। এরপরেই মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানা সেখানে পাঠালো আরও সাত বাংলাদেশিকে। যাদের সোমবার রাতে জলঙ্গি থানার বিদুপুর এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। সেই সময় হাতেনাতে ওই সাতজনকে ধরা হয় বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা এলাকায়।
সোমবার লালগোলার পদ্মভবনে হোল্ডিং সেন্টারের উদ্বোধন হয়েছে। এরপরেই লালগোলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে আসা তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। এরপরেই মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানা সেখানে পাঠালো আরও সাত বাংলাদেশিকে। যাদের সোমবার রাতে জলঙ্গি থানার বিদুপুর এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
ধৃতরা ভারতে কাজের খোঁজে অনুপ্রবেশ করছিল বলে বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে। দালাল মারফত সোমবার রাতে বিএসএফের চোখকে ফাঁকি দিয়ে জলঙ্গির সরকারপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। পরে বিদুপুর দিয়ে ভারতের মূল খন্ডে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ধৃতরা । কিন্তু পুলিশ নিজেদের সোর্সকে কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশের আগাম খবর পেয়ে যায়। এরপরেই ওঁত পেতে ওই সাত বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত ধৃতদের নাম জানা যায়নি। তবে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারের পরেই ধৃতদের লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। সেখান রেখে সরকারী উদ্যোগে ধৃতদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
শেয়ার
লিংক



