ঢুকতে দেরি হলেই অ্যাবসেন্ট! নবান্নে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক’

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকারি চাকরি মানেই সুখের জীবন, যখন খুশি অফিসে আসা যখন খুশি যাওয়া! এসব এবার অতীত হতে চলেছে। কারণ রাজ্য সরকারের কর্মীদের অফিসে আসা-যাওয়া নিয়ে আরও কড়াকড়ি নিয়ম চালু করছে নয়া সরকার।
নবান্নে এবার ফেস রিকগনিশন বায়োমেট্রিক অ্যাটেন্ডেন্স
গত মঙ্গলবারই অগ্নিমিত্রা পাল জানান, প্রত্যেক সরকারি কর্মীদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে। এর জন্য সময়ে অফিসে আসতে ও ছুটি নিতে হবে। যাতে সকলে এই নিয়ম মেনে চলেন তার জন্য আগামী ১৫ই জুনের থেকেই নবান্নে (Nabanna) ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক মেশিনে হাজিরা দিতে হবে। যদিও সব অফিসে এই ব্যবস্থা চালুর জন্য ৩১ শে জুলাই অবধি ডেডলাইন দেওয়া হচ্ছে।
তিন দিন লেট এন্ট্রি হলেই ধরা হবে ছুটি
শুধুই যে ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক হাজিরা দিতে হবে তা কিন্তু একেবারেই নয়। এর সাথে একগুচ্ছ নিয়ম মানতে হবে কর্মীদের। কি কি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুনঃ দেড়দশকের শাসন শেষে, মাত্র ১৩ দিনে ভরাডুবি! একঝলকে তৃণমূলের ভাঙন
- প্রথমেই অফিসে ঢোকার টাইম নির্দিষ্ট করা দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে ১০টা ১৫ থেকে ১১টার মধ্যেই সব আধিকারিকদের অফিসে হাজির হতে হবে।
- যদি কোনো কারণে ১১টা পার হয়ে যায় তাহলে তাকে অনুপস্থিত বলে ধরে নেওয়া হবে। এমনকি এন্ট্রির সময় পাঞ্চ ইন করে বাড়ি যাওয়ার সময় পাঞ্চ আউট না করলেও অনুপস্থিত বলে গণ্য করা হবে।
- ছুটির টাইমেও থাকছে কড়াকড়ি, বিকেল ৫টা ১৫ এর আগে বেরোলে সেটা ‘আর্লি ডিপারচার’ ধরা হবে।
- যদি কোনোদিন দেরিতে পাঞ্চ ইন অর্থাৎ কাজে ঢোকেন ও ছুটির টাইমের আগে বেরিয়ে যান তাহলে একটি সিএল কেটে নেওয়া হবে।
- আবার মাসে তিনদিন দেরিতে অফিসে এলে বা আগে বেরিয়ে গেলেও একটি ক্লারিক্যাল লিভ কেটে নেওয়া হবে।
- যদি অফিসের কোনো কাজেই দেরিতে এন্ট্রি বা তাড়াতাড়ি বেরোতে হয় তাহলে সেই সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রধানকে জানাতে হবে। তিনিই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
প্রসঙ্গত, এই নিয়মের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় প্রযোজ্য থাকবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্ভিস রুল পার্ট ওয়ান এর ২৯ নং নিয়ম অনুযায়ী বাড়ির সমস্যা বা কোনো অফিস থেকে ৮ কিমি এর মধ্যে বাসস্থান হলে যে ছাড় পাওয়া যেত সেটা চালু থাকবে। এমনকি ১৫ নং নিয়ম অনুযায়ী, অফিসের কাজ শেষ না হলে ছুটির সময়ের পরেও থাকতে হতেই পারে।




