‘একদিনে কিছু..,’ সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া রাজ্যের নয়া অর্থমন্ত্রীর

সবদিক নিউজ:সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস ছিল, আগামী ২২ জুন রাজ্য বাজেটে সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) নিয়ে ভালো খবর আসবে। এদিকে পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ মতো সরকার বকেয়া মেটাতে শুরু করলেও সকলের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা পৌঁছায়নি। সবমিলিয়ে বকেয়া ডিএ নিয়ে চর্চা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। এরই মাঝে এই ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
বকেয়া DA নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া অর্থমন্ত্রীর | Dearness Allowance
দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজ্যের সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘একটা বাজেট তো করতে হবে নিশ্চয়ই। রাজ্য বাজেট নিয়ে একটা সমস্যা হয়ে আছে। জিএসটি তো আর আমাদের হাতে নেই। বলতে খারাপ লাগে, আমাদের এখানে মূল টাকার উৎস হল মদ আর পেট্রোল। তাই এখন আমাদের ইনকাম বেসটা বাড়াতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাজ্যে যে বিপুল পরিমাণে আর্থিক বোঝা আছে তা কিছুটা প্রশমিত করতে কেন্দ্রের থেকে কিছু অর্থ সাহায্য পাব বলে আশা করি। সকলের সঙ্গে কথা বলে আগে সমস্যাগুলি তো জানি তারপর সেগুলোর সমাধান বের করা যাবে।’ তার মতে, আগে সমস্যাগুলো খুঁটিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এই সময় বকেয়া DA নিয়েও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তবে বকেয়া DA বকেয়া প্রসঙ্গে সরাসরি কোনও সময়সীমা না জানিয়ে বলেছেন, রাজ্যের নয়া অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘একদিনে কিছু হয় না, আমি জানি সমস্যাটা কী আছে। এটাও জানি কতটা কাজ হয়েছে আর কতটা কাজ বাকি আছে।’ যদিও ডিএ ইস্যুতে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি স্বপন দাশগুপ্ত।

আরও পড়ুন: টাকা-সোনাদানার বদলে ১২৫ এরও বেশি চাকরি! পুর দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মদন, তল্লাশি শুরু ইডির
অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যে নয়া সরকারের DA নিয়ে ঠিক কী পরিকল্পনা, তা স্পষ্ট হয়নি। উল্লেখ্য, রাজ্যের নব নির্বাচন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সম্প্রতি সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির বৈঠক হয়। জানা যায় বৈঠকে সরকারি কর্মীদের মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস দেন, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ভিত্তিতে থাকা বকেয়া ডিএর নিয়ে ২২ জুন পেশ হতে চলা রাজ্য বাজেটে সুখবর আসবে। আপাতত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীর নজর এখন সেই বাজেটের দিকে। সেখানে সরকার কী ‘সুখবর’ দেয় সেই দিকে চেয়ে রয়েছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা।




