Singur to make potato corridor of West Bengal

বাংলায় আলু চাষের প্রাণকেন্দ্রই হল হুগলির সিঙ্গুর। পূর্বতন সরকার আলু রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েন কৃষকরা। আলু চাষ হলেও ক্ষতির মুখই দেখেছিলেন তাঁরা। তবে পালাবদলের পর ক্রমশ বদলাচ্ছে বাংলার ছবি। এবার আলুচাষিদের পাশে দাঁড়িয়ে সিঙ্গুরে ‘আলু করিডর’ তৈরির ভাবনাচিন্তা চলছে। তাতেই আশার আলো দেখছেন কৃষকরা।
কলকাতা থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হুগলির সিঙ্গুর। ভৌগোলিক অবস্থানে জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে, রাজ্য সড়ক ও রেলপথ ঘিরে রয়েছে সিঙ্গুর।
তারকেশ্বর, হরিপাল, পাণ্ডুয়া, বলাগড়-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ আলু চাষ করে জীবনধারণ করেন। বিশেষত সিঙ্গুরের বাসিন্দারা আর্থিক দিক থেকে আলুর উপরেই নির্ভরশীল। চাষ করা আলু রপ্তানির মাধ্যমে আয় করেন তাঁরা। বিগত কয়েক বছর আলু চাষ হয়েছে যথেষ্ট। তবে আলু রপ্তানি বন্ধ করে দেয় পূর্বতন সরকার। তার ফলে বিপাকে পড়েন কৃষকরা।
বর্তমান সরকার আলু চাষিদের মুখে হাসি ফোটাতে সিঙ্গুরকে ‘আলু করিডর’ করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। তার ফলে খুশি সিঙ্গুরের কৃষক থেকে আলু ব্যবসায়ীরা।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।
চোখ রাখুন

স্থানীয় কৃষক অনন্ত সামন্ত বলেন, “খুবই ভালো উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগের সরকার আমাদের জন্য কিছুই করেনি। আমরা সকলেই উপকৃত হব। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে।” কৃষক প্রহ্লাদ মণ্ডল বলেন, “অতিরিক্ত আলু চাষ করে যে ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয় কৃষকদের, তা হতে হবে না। তাতে আমরা উপকৃতই হব।” সিঙ্গুরের বিধায়ক অরূপকুমার দাস বলেন, “হুগলির আলুর গুণগত মান সকলের জানা। সিঙ্গুর হল তার প্রাণ কেন্দ্রবিন্দু। ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত ভালো। তাই এই ধরনের ভাবনা করা হচ্ছে। সে কারণেই অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। না হলে আলু নষ্ট হয়ে কৃষকদের ক্ষতি হবে। বিগত সরকার আলু রপ্তানি বন্ধ করে বিপাকে ফেলেছিল চাষিদের। এবার আর সেসব হবে না।” কবে তৈরি হবে ‘আলু করিডর’, সে স্বপ্নেই আপাতত বুঁদ কৃষকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।
চোখ রাখুন
শেয়ার
লিংক



