এসআইআরে নাম নেই, এবার সেনসাসে কী হবে? CAA প্রসঙ্গে জল্পনার মাঝে বড় কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ২০২৬-এর জনগণনা শুরুর আবহে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ শনিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনার কাজ শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে সিএএ কার্যকর হওয়ার পর যাঁদের নাম এখনও ট্রাইবুনালে বিচারাধীন, সেই প্রসঙ্গও নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে।
জনগণনার আবহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)
এদিন অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দু’ধরনের লোক বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন। এক ধরনের হল অনুপ্রবেশকারী। যাঁরা বাংলায় থাকবেন না। চিহ্নিত করে যাচাই বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে।”
এরপর বীরভূমের সোনালি বিবির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “একজন অনুপ্রবেশকারীও থাকবে না। তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না। সিএএ-র আওতায় হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈনদের কেউ অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে বলেছে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালের মধ্যে যাঁরা প্রাণ কিংবা ধর্ম বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হবে না। বা পুলিশ হেনস্তা করতে পারবে না।”
সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়েও কড়া অবস্থান নেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের নাগরিক না হলে কোনও সামাজিক প্রকল্পের সুযোগসুবিধা পাবেন না। ভারতের নাগরিকদের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য দায়বদ্ধ। পরিচ্ছন্ন নাগরিক তালিকা এলে সরকারের পক্ষে কাজ করা সুবিধা হবে। এবারের ফর্মে বিস্তারিত তথ্য় দিতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে তথ্য এসে গেলে সামাজিক প্রকল্প কিংবা জাতিগত শংসাপত্র বা সুবিধা পেতে আলাদা করে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। চিরস্থায়ী রেকর্ড তৈরি হয়ে যাবে। আগামিদিনে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।”

আরও পড়ুন : মিড ডে মিলে পোলাও, পনির, ছানা! পড়ুয়াদের পাতে আর কী কী? মেনু ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ অগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করা যাবে। এরপর ১৬ অগস্ট থেকে এক মাস ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের কাজ করবেন গণনাকারীরা। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের বাড়িতে গিয়েই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা করা হবে। জনগণনা শুরুর সঙ্গে নাগরিকত্ব ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।




