চোরবাগানে দশমীতেও নিভে রইল আলো! পুলিশি ঘেরাটোপে মণ্ডপ, কবে বিসর্জন?

SOBDIK NEWS: দশমীর দিনে যখন কলকাতার একের পর এক মণ্ডপে প্রতিমা বিদায়ের প্রস্তুতি চলছিল, তখন চোরবাগান সর্বজনীনের (Chorbagan Sarbojonin) ছবিটা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। উৎসবের শেষ দিনেও সেখানে নেই আলোর সাজ, নেই দর্শনার্থীদের ভিড় কিংবা বিসর্জনের ব্যস্ততা। দুর্ঘটনার স্মৃতি আর পুলিশি নজরদারির মধ্যে থমকে রয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রক্রিয়াও।
কবে হবে চোরবাগান সর্বজনীনের (Chorbagan Sarbojonin) বিসর্জন?
পুজো কমিটি সূত্রে খবর, বুধবার নিয়ম মেনে ঘট বিসর্জন করা হলেও দেবীবরণের আয়োজন হয়নি। প্রতিমা কবে গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্তও এখনও নেওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্তের জন্য কলকাতা হাই কোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে যে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট তৈরি হয়েছে, তাদের পরিদর্শন এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং সেই ভিত্তিতে রিপোর্ট তৈরি করবেন। এরপর পুলিশের অনুমতি পাওয়া গেলেই প্রতিমা নিরঞ্জনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। আপাতত তাই চোরবাগানের প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই।
কিন্তু এই তদন্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই—সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল? কীভাবে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে উৎসবের ভিড় প্রাণঘাতী বিপর্যয়ে পরিণত হল, তা জানতেই সিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরীক্ষা করবেন।

আরও পড়ুন :সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA মামলায় নয়া আপডেট! মনিটরিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত পরিষদের প্রতিনিধিও
এই ঘটনার তদন্তে কোনওরকম শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্ঘটনার সঙ্গে যাঁদের যোগ পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে গোটা ঘটনার তথ্য ও পরিস্থিতি যাচাই করতে পৃথক ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং টিম গঠন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশ ও কলকাতা পুরসভাকে ওই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।




