0%

প্রথমবার বিশ্বকাপের আসর নেপালে, সঙ্গী বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নামা ভারতের যাত্রা শুরু কবে?

টানা দু’বার বিশ্বজয়। এবার হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নামবে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। আগামী বছর প্রথমবার নেপালের মাটিতে প্রথমবার বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে। গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত ট্রফি ধরে রাখার লড়াই শুরু করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। ২২ জানুয়ারি নেপালের কীর্তিপুরে হবে সেই ম্যাচ। বুধবার এই টুর্নামেন্টের তৃতীয় সংস্করণের সূচি ঘোষণা করেছে আইসিসি।

নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশেও এই প্রতিযোগিতার আয়োজক। কবে শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ? ২১ জানুয়ারি। চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১৬টি দল। চারটি মাঠে মোট ৪১টি ম্যাচ খেলা হবে। চট্টগ্রাম, সিলেট ও কাঠমাণ্ডুতে আয়োজিত হবে ম্যাচগুলি। ফাইনাল ৬ ফেব্রুয়ারি। বৃষ্টির কারণে খেলা ভেস্তে গেলে পরের দিন, অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে অতিরিক্ত দিন।

২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত প্রথম সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় নিকি প্রসাদের নেতৃত্বাধীন দল ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য বিশ্বসেরার মুকুট জিতেছিল। এবারও ভারতের লক্ষ্য খেতাব ধরে রেখে বিশ্বজয় হ্যাটট্রিক করা। ভারত রয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড এবং আয়োজক নেপাল। ২২ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলার পর ২৪ জানুয়ারি নেপাল এবং ২৬ জানুয়ারি আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত। সব ম্যাচই হবে কীর্তিপুরের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

আয়োজক নেপালও ২২ জানুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে। ঘরের মাঠে নিজেদের প্রতিভা মেলে ধরার সুযোগ পাবেন নেপালের তরুণীরা। গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। গ্রুপ ‘সি’-তে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। গ্রুপ ‘ডি’-তে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আমেরিকা ও স্কটল্যান্ড। ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্ব। তার পর শুরু সুপার সিক্সের লড়াই। যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলিকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করা হবে। সেখান থেকে দু’টি গ্রুপের প্রথম দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে দু’টি সেমিফাইনাল। ৫ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। একই মাঠে ৬ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল।

আইসিসির চিফ এক্সিকিউটিভ সংযোগ গুপ্তার মতে, এই বিশ্বকাপ তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের প্রতিভা মেলে ধরার সুযোগ করে দেবে। একই সঙ্গে, আরও বেশি কিশোরীকে ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করবে। বাংলাদেশ ও নেপালকে আয়োজক হিসাবে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে তিনি দুই দেশে ক্রিকেটের প্রতি অসংখ্য মানুষের আবেগ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য বিনিয়োগের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলাটির ভবিষ্যৎকে তুলে ধরার মঞ্চ। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার লক্ষ্যে তরুণ ক্রিকেটারদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয় এই প্রতিযোগিতা।”

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker