নজরদারি তালিকায় নাম! দিল্লি বিমানবন্দরে জটিলতায় দেশে ফিরলেন ‘অভিমানী’ তারেকের উপদেষ্টা

নজরদারি তালিকায় নাম থাকার জেরে দিল্লি বিমানবন্দরে জটিলতায় পড়লেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান। সূত্রের খবর, যাচাই প্রক্রিয়ার জন্য অভিবাসন আধিকারিকরা তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলেন। তারপর জাহিদকে বিমানবন্দর থেকে বেরোনোর অনুমতিও দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে ফিরে যান বলে খবর।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি সরকারি বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য দিল্লিতে আসার কথা ছিল জাহিদের। সেই মতো রবিবার বিকেলে দিল্লি বিমানবন্দরে পা রাখেন। কিন্তু সূত্রের খবর, নজরদারি তালিকায় নাম থাকার কারণে যাচাইকরণের জন্য সেখানে উপস্থিত অভিবাসন আধিকারিকরা তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সমাজমাধ্যম সংক্রান্ত একটি বিষয়ে কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন জাহিদ। যদিও পরে সেখান থেকে তাঁর নাম সরে যায়। কিন্তু তবুও তা অভিবাসন নজরদারি তালিকায় রয়ে গিয়েছিল। এর ফলে নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে পা রাখতেই তিনি জটিলতায় পড়েন। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বেরোনোরও অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু জানা গিয়েছে, অজ্ঞাতকারণে তিনি আর ভারতে প্রবেশ করতে রাজি হননি। দিল্লি থেকেই তিনি শ্রীলঙ্কার বিমান ধরেন। সেখান থেকে তিনি বাংলাদেশ ফিরে গিয়েছেন বলে খবর।
সূত্রের মতে, যখন কোনও ব্যক্তির নাম নজরদারি তালিকায় থাকে বা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়, তখন যাচাইকরণের জন্য বিমানবন্দরে তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। অভিবাসন আধিকারিকদের কাছে আগে থেকেই এই নজরদারি তালিকা থাকে। এর মাধ্যমেই তাঁরা চিহ্নিতকরণের কাজ করেন। এটি স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। যদিও গোটা ঘটনা নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশ কেউই এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
শেয়ার
লিংক



