আর নয় হয়রানি! ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যুর সমাধানে বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার

সবদিক নিউজ: ডেথ সার্টিফিকেট (Death Certificate) সংক্রান্ত অনিয়ম ঠেকাতে বিগত শনিবার অর্থ্যাৎ ২৫ জুলাই থেকে শ্মশান কিংবা কবরস্থান থেকে ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পৌরসভার (KMC) তরফ থেকে আচমকা ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় বিগত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক হয়রানির মুখে পড়েন স্বজনহারা পরিবারের সদস্যরা।
Death Certificate ইস্যু করতে রেজিস্ট্রার নিয়োগ KMC-তে
অবশেষে এই অচলাবস্থা কাটাতে বড় পদক্ষেপ নিল কেএমসি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এবার থেকে সাব-রেজিস্ট্রাররা আর ডেথ সার্টিফিকেট দেবেন না। জানা যাচ্ছে, এই ডেথ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে মঙ্গলবার মোট ১৬ জন বরো-স্তরের কর্মকর্তাকে রেজিস্ট্রার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। এবার থেকে তাঁদের থেকেই জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে। উল্লেখ্য প্রত্যেক বরোর জন্য একজন করে রেজিস্ট্রার নিযুক্ত করা হয়েছে ।
আসলে বিগত সপ্তাহ থেকে ডেথ সার্টিফিকেট এবং দাহ শংসাপত্র দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করে দেওয়া হয়েছিল। যার ফলে ভিন রাজ্যের বিশেষ করে কলকাতার বাইরে থেকে আসা স্বজনহারা পরিবারগুলো নিজের এলাকার পুরসভা বা পঞ্চায়েত থেকে মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য আবেদন করতে পারছিলেন না। এমনকী সম্পত্তি হস্তান্তর কিংবা বীমা অথবা পেনশন সংক্রান্ত যাবতীয় কাজকর্মও আটকে ছিল তাদের।
আরও পড়ুনঃ ‘কোনো দুর্নীতির সাথে জড়িত নই’, ইডি অফিসে হাজিরা দিতে দিয়ে সাফ জানালেন মদন মিত্র
কবে থেকে আবার ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া চালু করা হবে প্রথমদিকে সেবিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ ছিল না। তবে এবার সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। যদিও এখনও কিছু কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা বাকি আছে বলেই জানিয়েছেন কেএমসি স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। জানা যাচ্ছে, মোট ১৬ জন নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রারের মধ্যে ১৩ জন নির্বাহী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, একজন উপ-প্রধান পৌর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং দুইজন ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, ডেথ সার্টিফিকেটের সমস্যা নিয়ে এক দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা জানান, তাঁর শাশুড়ি মারা যান বিগত রবিবার। এরপর তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয় কেওড়াতলা স্মশানে। সেখান থেকে জানানো হয় যে এসএমএসের মাধ্যমে ডেথসার্টিফিকেট পাঠানো হবে। কিন্তু সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কিছুই পাননি তিনি। অথচ শশুর মারা যাওয়ার সময় একদিনেই ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া গিয়েছিল।




