0%

স্মার্ট ফোনে রং জল ঢুকেছে? চালের ড্রামে ঢোকালে বিপদ! মানুন এই টিপস

দোল মানেই রঙের উৎসব, হুল্লোড় আর দেদার সেলফি। কিন্তু সেই খুশির মাঝেই ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। পকেটে থাকা স্মার্টফোনটি কখন যে আবিরের গুঁড়ো বা চটচটে রঙে মাখামাখি হয়ে গিয়েছে, তা হয়তো খেয়ালই করেননি। রং খেলা শেষে কারোর ফোনের স্পিকার ফিসফিস করছে, তো কারও আবার চার্জিং পোর্টে জল ঢুকে চার্জ নেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর প্রতি বছরই এই দল মিটতেই লম্বা লাইন পড়ে মোবাইল সার্ভিস সেন্টারে। কিন্তু ফোন সারাতে দৌড়ানোর আগে জেনে নিন, বাড়িতে বসে আপনি কী কী ভুল করছেন আর কীভাবে সত্যিই সাধের ফোনটি বাঁচানো সম্ভব।

চালের ড্রাম কি আদৌ ম্যাজিক দেখায়?

অনেকেই ফোন জলে ভিজলেই চালের ড্রামে ঢুকিয়ে দেন। অনেকে মনে করেন চাল সব জল শুষে নেবে। কিন্তু প্রযুক্তিবিদরা বলছেন একদম উল্টো কথা। চালের সূক্ষ্ম গুঁড়ো বা ধুলো আপনার ফোনের হেডফোন জ্যাক বা চার্জিং পোর্টের ভেতরে ঢুকে হিতে বিপরীত করতে পারে। এমনকি দীর্ঘক্ষণ চালের ভেতর আর্দ্র অবস্থায় ফোন থাকলে তাতে ফাঙ্গাস জমার ভয়ও থাকে। তাই এই পুরনো টোটকায় আর ভরসা না রাখাই ভালো।

আবির ও জল ঢুকলে যা করবেন

সুইচ অফ সবার আগে: যদি মনে হয় ফোনে জল বা আবির ঢুকেছে, তবে বিন্দুমাত্র দেরি না করে ফোনটি বন্ধ করে দিন। অন অবস্থায় থাকলে শর্ট সার্কিট হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার: ফোনের স্পিকার বা পোর্টে আবির ঢুকে থাকলে তা ফুঁ দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে আবির আরও ভেতরে চলে যেতে পারে। বরং খুব কম পাওয়ারে ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করে ধুলো টেনে বের করে নিন।
হেয়ার ড্রায়ারকে না বলুন: ভিজে ফোন শুকোতে গিয়ে কখনওই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। ড্রায়ারের অতিরিক্ত গরম হাওয়া ফোনের ভেতরের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশ বা ব্যাটারি স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দিতে পারে।
সিলিকা জেল প্যাকেট: নতুন জুতো বা ব্যাগের সঙ্গে যে ছোট ছোট সিলিকা জেলের প্যাকেট পাওয়া যায়, সেগুলো ফোন বাঁচানোর সেরা অস্ত্র। একটি এয়ারটাইট জারে ফোনের সঙ্গে চার-পাঁচটি সিলিকা জেল প্যাকেট রেখে দিন। এটি চালের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত এবং নিরাপদে আর্দ্রতা শুষে নেয়। তবে যদি দেখেন খুব বেশি রং ঢুকে গিয়েছে। তাহলে বাড়িতে চেষ্টা না করে অবশ্যই অভিজ্ঞ কারোর পরামর্শ নিন।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker