‘এটা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র’, গীতাপাঠের মঞ্চে মমতা সরকারকে নিশানা, কী ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি নেতা?

বাংলা হান্ট ডেস্ক: টানা দুই দিনের দুই ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে উত্তেজনা চলছে। একদিকে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক জমকালো অনুষ্ঠানে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভরতপুর তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবির। অন্যদিকে ২৪ ঘণ্টাও পেরিয়ে যায়নি, রবিবার সকালে ব্রিগেডে শুরু হয়েছে ‘৫ লাখ কণ্ঠের গীতাপাঠ’-এর জমকালো অনুষ্ঠান। এই দুই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে (পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি)।
বেলডাঙ্গায় বাবরি ধ্বংস, উত্তাল রাজনীতি (পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি)
হুমায়ুন কবিরের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। নতুন দল ঘোষণার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতির মঞ্চ (পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি)।
পরদিন ব্রিগেডে গীতা পড়া
রোববার সকাল থেকেই ব্রিগেডে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেছে। কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্বরা, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, রামদেবের মতো বিশিষ্ট ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত রয়েছেন। এছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা – শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার এবং আরও অনেকে।
ফলে গীতা পাঠের (পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি) এই কর্মসূচি নিয়ে রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে।
মমতার কাছে ব্যঙ্গাত্মক সুকান্তর
বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের পরদিনই ব্রিগেডে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করেন বঙ্গীয় বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, “গতকাল আমরা যা দেখলাম, তাতে হিন্দু ভোটকে বিভক্ত করে মুসলিম ভোটকে এক করার সুস্পষ্ট ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বারবার এমন সাম্প্রদায়িক শক্তিকে লালন করেছেন।”

আরও পড়ুন: রাজ্যে ফের ধর্ষণ! নোদাখালীর ওই নারী দোকান থেকে বের হয়ে বাড়ি ফেরেননি, নির্যাতনের পর যা করলেন… চমকে যাবেন
গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের রাজনৈতিক রঙ সম্পর্কে জানতে চাইলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনো সম্পর্ক নেই। গীতাপাঠ হিন্দুদের অনুষ্ঠান। রাজনীতি রাজনীতির মতোই চলবে, আর গীতা চিরন্তন।” (পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি)



