দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানালেন শুভেন্দু?

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের পুজো কমিটিগুলির সরকারি অনুদান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতি বছর রাজ্য সরকার বিভিন্ন ক্লাব ও পুজো কমিটিকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে। তবে সরকার পরিবর্তনের পর এ বছর সেই অনুদান আগের মতো দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।
দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)?
শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যেসব পুজো কমিটির এই সরকারি অর্থের প্রয়োজন নেই, তাদের অনুদান দেওয়ারও দরকার নেই। তবে যেসব কমিটি আর্থিক সমস্যার কারণে পুজোর আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়বে, তাদের পাশে সরকার থাকবে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটি সরকারি অনুদান পেয়েছে। কলকাতার বড় পুজো থেকে শুরু করে জেলার ছোট-বড় বহু পুজো কমিটি এই সাহায্যের আওতায় এসেছে। গত বছর অনুদানের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছিল।
তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপির একাংশের মতে, পুজোর অনুদানের জন্য যে বিপুল অর্থ খরচ হয়, সেই টাকা উন্নয়নের অন্য খাতে ব্যবহার করা হলে রাজ্যের বেশি উপকার হতে পারে। তাই সরাসরি অনুদান দেওয়ার পুরনো পদ্ধতি চালু থাকবে কি না, তা নিয়ে দলের ভিতরে আলোচনা চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফলে এ বছর পুজো কমিটিগুলি অনুদান পাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, অনুদানের নীতিতে পরিবর্তন এলেও দুর্গাপুজোর গুরুত্ব কোনওভাবেই কমবে না। বরং বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর এটাই প্রথম দুর্গাপুজো হওয়ায় উৎসবকে বিশেষভাবে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাকে কলকাতায় আনার চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার
এছাড়াও বাংলার দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও বেশি প্রচার করার পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্রের দাবি, অষ্টমীর অঞ্জলিতে প্রধানমন্ত্রী অংশ নিতে পারেন কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব ইতিমধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Suvendu Adhikari)।




