তাঁর কোচিংয়েই অলিম্পিকে পদক জেতেন মনু ভাকের! মাত্র ৪৯ বছরে প্রয়াত ভারতের কিংবদন্তি শুটার যশপাল রানা

সবদিক নিউজ: ভারতের কিংবদন্তি শুটার যশপাল রানা (Jaspal Rana) না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। সম্প্রতি, তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতির খবর সামনে এসেছিল। এমতাবস্থায়, গত শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মিউনিখে সম্পন্ন হওয়া শুটিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভারতে ফেরার পথে বিমানেই ফের তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে দিল্লির সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মাত্র ৪৯ বছরে প্রয়াত ভারতের কিংবদন্তি শুটার যশপাল রানা (Jaspal Rana):
ওই হাসপাতালেই চিকিৎসকরা স্টেন্ট বসিয়েছিলেন। যদিও, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার মাত্র ৪৯ বছর বয়সে প্রায় তখন তিনি। যশপাল রানা ভারতীয় পিস্তল শুটারদের হাই-পারফরম্যান্স কোচ হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অলিম্পিকে পদকজয়ী ভারতের তারকা শুটার মনু ভাকেরেরও কোচ ছিলেন তিনি।

এদিকে, যশপাল রানার মৃত্যুতে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর প্রয়াণ ভারতীর শুটিংয়ের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি তাঁর জীবনের শেষ ৩ দশক খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষক হিসাবে শুটিংকে সমৃদ্ধ করেছেন।
ক্রিকেটের ময়দানে মহাযুদ্ধ! রবিবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান, কার পাল্লা ভারি?
জানিয়ে রাখি যে, যশপাল রানা ১৯৯০-এর দশকে শুটিংয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি এশিয়ান গেমসে ৪ বার এবং কমনওয়েলথ গেমসে ৯ টি গোল্ড মেডেল জিতেছেন। এছাড়াও, যশপাল একবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন এবং ১৯৯৪ সালে ২৫ মিটার পিস্তল ইভেন্টে জুনিয়র ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন হন। যশপাল রানা ২০০৬ সালে এশিয়ান ও কমনওয়েলথ গেমসেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারপর তিনি তাঁর শুটিং কেরিয়ারকে বিদায় জানান।
যাত্রীদের জন্য বড় খবর! কবে লঞ্চ হচ্ছে IRCTC-র নতুন ওয়েবসাইট? জানিয়ে দিলেন খোদ রেলমন্ত্রী
উল্লেখ্য যে, যশপাল রানা ২০১২ সালে কোচিং জগতে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তী দশকে ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শুটিং কোচ হিসাবে বিবেচিত হন। তিনি ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ভারতীয় দলের সঙ্গী হয়েছিলেন। যেখানে মনু ভাকের ২ টি পদক জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। মনু ভাকের তাঁর এই বিরাট সাফল্যের কৃতিত্ব কোচ যশপালকেই দিয়েছিলেন।




