Suvendu Adhikari announces that tea gardens in hills which had been closed will be reopened

উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির উন্নতি হবে। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। সেই বার্তাই দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন দার্জিলিং গিয়ে পাহাড়ের উন্নতির বার্তা দিয়েছেন তিনি। ভোটে বিজেপিকে জেতানোর জন্য পাহাড়ের মানুষকে আরও একবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি। সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স চা বাগান ঘেরা। তৃণমূল আমলে চা বাগানগুলি একাধিক সমস্যার সম্মুখীন। বহু চা বাগানও বন্ধ। অনেক বাগান এই মুহূর্তে ধুঁকছে। সেই আবহে এদিন চা বাগানের উন্নতিতে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই বিষয়ে আরও খবর
চা শ্রমিকদের দুরবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে। সেই দুর্দশা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী ‘পিএম চা-শ্রমিক যোজনা’ চালু করলেও আগের সরকার দুর্নীতির কারণে তা কার্যকর করেনি। এখন বন্ধ থাকা ২৫টি চা বাগানের জন্য ৩৩৪ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত শুরু হচ্ছে। টি-বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে চা-বাগানের পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল আমলে পাহাড়কে সব সময়েই বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে উন্নয়নের কথা সেভাবে ভাবতেন না বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, “পাহাড়ে সব বন্ধ চা বাগান খুলবে।” পাহাড়ে ঘুরতে নয়, কাজ করতেই আসবেন। সেই বার্তাও আরও একবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।
চোখ রাখুন

সূত্রের খবর, দার্জিলিং পাহাড়ে জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত ৮৭টি চা বাগান রয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ১৫টি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। বাকিগুলোতে এক-দেড়শো বছরের পুরনো গাছ বেশি। তাই উৎপাদন কমছে। কিন্তু লোকসান বেড়ে চলায় পুরনো গাছ উপড়ে নতুন গাছ বোনার কথা কেউ ভাবতে পারছে না। ওই পরিস্থিতিতে অন্তত ২৫টি চা বাগান মালিক বাগান বিক্রির খদ্দের খুঁজছেন। প্রত্যেকটি বাগানে কয়েকশো শ্রমিক কাজ করেন। ফলে কয়েক হাজার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন। শ্রমিকরা চাইছেন, বাগান ফের খুলুক। সরকার চা বাগানের উন্নতিতে পাশে থাকুক।
কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো অসমের মতো এখানেও চালু হলে চা শিল্প উপকৃত হবে।” একমত কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান সতীশ মিত্রুকা এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফোরাম অব স্মল টি গ্রোয়ার্স’-এর চেয়ারম্যান রজত কার্জি।
এই বিষয়ে আরও খবর

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।
চোখ রাখুন
শেয়ার
লিংক



