ফিরছে ৭৫০০ শ্রমিকের রোজগার, মাত্র ১০ দিনে ১৮ জুটমিল খোলার পথে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং

সবদিক নিউজ: দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের একাধিক বন্ধ জুট মিলের (Jute Mill) দরজা। চলতি মাসেই ব্যারাকপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্টের মোট ১৮টি জুট মিল খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অবশ্য এর জন্য অনেকটাই কৃতিত্ব প্রাপ্য শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh)।
মাত্র ১০ দিনে ১৮টি জুটমিল খুলছে
রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর জানা যাচ্ছে, আগামী তিন জুলাই থেকেই পুনরায় চালু হয়ে যাবে নৈহাটী জুট মিল। শুধু তাই নয় আগামী বুধবার থেকেই খুলে যাচ্ছে কাঁকিনাড়া জুটমিল। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই খুলে দেওয়া হয়েছে জগদ্দল, টিটাগড়, ভাটপাড়া এবং কাঁকিনাড়া অঞ্চলের মোট ৬টি জুটমিল। তাই সরকারি নির্দেশ মিলতেই উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে জগদ্দল জুটমিল।
এছাড়াও কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই আরো তিনটি জুট মিল খুলে যেতে চলেছে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই জুট মিল গুলির মধ্যে অন্যতম জগদ্দল জুট ইন্ডাস্ট্রিস, ইএমসিও জুট মিল, বরানগর জুটমিল । আশার খবর এই যে আগামীদিনে এই তিনটি জুটমিল খোলার সাথে প্রায় সাড়ে সাত হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে।
আরও পড়ুনঃ একমাসে ৪১০০ পরিবারে পৌঁছাবে জলের কল, জল জীবন মিশন প্রকাশ্যে ৩৯,০০০ কোটি দিল কেন্দ্র
শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের দাবী, আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাওয়া মোট ১৮টি জুটমিল পুনরায় চালু হবে। তাঁর কথায়, ‘এই উদ্যোগ কেবল ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়, বাংলা জুড়ে যত বন্ধ জুটমিল রয়েছে সব গুলোই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
বুধবার হাওড়ার দাশনগরে হাওড়া জুট মিল এবং ভারত জুট মিল পুনরায় চালু করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্জুন সিং। এই কাজে আগামীদিনে কর্মী ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।
আরও পড়ুনঃ জুলাই পড়তেই বড় স্বস্তি, সস্তা হল গ্যাস সিলিন্ডার! দেখুন কলকাতায় কত হল দাম
শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে এদিন অর্জুন সিং বলেছেন, ‘শুধু সুযোগ-সুবিধাই খোঁজাই নয়, আগামীদিনে শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’ একই সঙ্গে এদিন তিনি ম্যানেজমেন্ট-এর দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ইউনিয়ন, ম্যানেজমেন্ট ও শ্রমিকদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে হবে।’



