MBBS student from Hooghly found dead in hostel at Varanasi

বারাণসীর মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে বারাণসীতে পৌঁছেছেন তাঁর বাবা ও মা। মৃত্যুর আগের পাঁচদিন ছেলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ছাত্রের বাবা। কী কারণে, কীভাবে মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা। ঘটনার তদন্তে বারাণসী পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম ঋত্বিক কুণ্ডু। তিনি উত্তরপাড়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র এভিনিউ এলাকায় বাসিন্দা ছিলেন। ঋত্বিকের বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী। মা গৃহবধূ। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ঋত্বিক ছোট। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। এলাকায় মেধাবী পড়ুয়া হিসাবেই পরিচিত ছিলেন ঋত্বিক। জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ভাল ফলের পর প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। পরে সে সুযোগ পান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিতে(IMS-BHU)। সেখানকার হোস্টেলেই থেকেই পড়াশোনা করতেন। একটি ঘরে একাই থাকতেন তিনি। এমবিবিএসের শেষবর্ষের পডুয়া ছিলেন ঋত্বিক।
পড়ুয়ার পরিবার জানিয়েছে, মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে থেকে তাঁদের সঙ্গে ঋত্বিকের কোনও যোগাযোগ হয়নি। অন্যদিকে দীর্ঘক্ষণ তাঁর সাড়াশব্দ না পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান তাঁরা। পুলিশকে ফোন করা হয়। পুলিশ হস্টেলের ঘরের দরজা ভেঙে তাঁর দেহ উদ্ধার করে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পুলিশ তল্লাশির সময় একটি সুইসাইড নোট পেয়েছে। তাতে কী লেখা তা জানা যায়নি। কথা বলা হচ্ছে ঋত্বিকের সহপাঠী ও অন্যান্য পড়ুয়াদের।কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।
উত্তরপাড়ায় ঋত্বিকের বায়োলজির শিক্ষক শুভ্র মিত্র বলেন, “ও অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। স্কুলে ওর ভারী সুনাম ছিল।” এই ঘটনায় তাঁর বাল্যবন্ধু দেবজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, “আমার ছোটবেলায় একসঙ্গে খেলাধুলা করেছি। তবে মাঝে কয়েকটা বছর যোগাযোগ ছিল না। হঠাৎ খবর পাই। কী হল বুঝতে পারছি না।” মেধাবী ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুতে হতবাক প্রতিবেশীরা।
শেয়ার
লিংক



