Bank Holiday: ধর্মঘটের জের! টানা ৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে ব্যাঙ্ক, জরুরি কাজ থাকলে সেরে ফেলুন কালই

বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্কেImage Credit: TV9 Bharatvarsh
নয়া দিল্লি : আপনি কি স্টেট ব্যাঙ্কের (State Bank Of India) গ্রাহক। আগামী সপ্তাহে কি জরুরি কাজ রয়েছে ব্যাঙ্কে? তাহলে তা কালকের মধ্যেই সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। কারণ, আগামী ৬ দিন স্টেট ব্যাঙ্ক বন্ধ (State Bank Closed) থাকবে। কোথাও আবার ৫দিন বন্ধ থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি, বকরি ইদের ছুটি তো রয়েছেই। তারই সঙ্গে দুই দিন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা। সব মিলিয়ে ২৩ মে থেকে ২৮ মে-এর মধ্যে এসবিআই-এর শাখাগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
সপ্তাহান্তে ছুটি
শনিবার ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি। প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। এই সপ্তাহে ২৩ মে চতুর্থ শনিবার পড়েছে। তাই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। আর ২৪ মে রবিবার এমনিতেই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।
২৫-২৬ মে ধর্মঘট
এসবিআই স্টাফ ফেডারেশন ২৫ ও ২৬ মে (সোম ও মঙ্গলবার) দুই দিনের ধর্মঘটের প্রস্তাব দিয়েছে। মূলত, নতুন নিয়োগ এবং নিজেদের এনপিএস ফান্ড ম্যানেজার বেছে নেওয়ার সুযোগের দাবি থেকে আউটসোর্সিং, পদোন্নতির নীতি, এইচআরএমএস এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন কর্মচারীরা। দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কলকাতায় ১৬ দফা দাবি নিয়ে ধরনায় বসেছিলেন অল ইন্ডিয়া স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া স্টাফ ফেডারেশনের সদস্যরা। দাবি পূরণ না হলে দুই দিন ধর্মঘটেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা।
বকরি ইদ
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বকরি ইদ পালিত হবে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, বেশিরভাগ রাজ্যে ২৭ মে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে। আবার কিছু রাজ্যে ২৮ মে ছুটি থাকবে। জম্মু ও কাশ্মীরে বকরি ইদ উপলক্ষে ২৭ এবং ২৮ মে দুই দিনই ছুটি থাকবে।
অনলাইন ব্যাঙ্কিং ও এটিএম পরিষেবা
ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলেও এসবিআই-এর ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ইউপিআই এবং এটিএম পরিষেবা চালু থাকবে। এর অর্থ হল, গ্রাহকরা অনলাইন লেনদেন করতে, টাকা তুলতে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবার সুযোগ নিতে পারবেন।
কেন ধর্মঘট ?
এসবিআই কর্মচারী ইউনিয়ন জানিয়েছে, আউটসোর্সিংয়ের কারণে গ্রামের যুবক, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠী, তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণীর কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে। এছাড়াও, কর্মচারীরা ব্যাঙ্কে নিরাপত্তা রক্ষীর অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে কর্মচারী, গ্রাহক এবং ব্যাঙ্কের সম্পদের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।



