0%

In Malda, 29 villages are under Central govt’s ‘Vibrant villages’ programme

সীমান্ত মানেই দূর থেকে সুদূর কিংবা শেষ প্রান্ত নয়। বরং কাছে টেনে আনতে হবে সীমান্তবর্তী এলাকা ও তার মানুষজনকে। তাঁদেরও যাবতীয় নাগরিক পরিষেবা দিতে হবে। সেই অধিকার তো তাঁদের রয়েছেই। এই লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম ২.০’ শুরু হয়েছে। তার আওতায় এরাজ্যের মালদহ জেলার ২৯ টি গ্রাম। ‘আমার গ্রাম আমার কল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে মূলত গ্রামে গ্রামে জনসংযোগমূলক অনুষ্ঠান হয়ে গেল তিনদিন ধরে। সীমান্তের গ্রামগুলিতে জেলাশাসক, স্থানীয় সাংসদ, বিধায়করা গিয়ে মানুষজনের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। জেনে নেন তাঁদের সমস্যা, প্রয়োজন। সমাধান ও উন্নয়নের সম্ভাব্য পথ নিয়ে হয় আলোচনা। ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস’-এর লক্ষ্যই তাই। আমজনতাকে শামিল করেই তাঁদের আসল উন্নয়ন করা।

‘আমার গ্রাম আমার কল্পনা’ কর্মসূচিটি চলছে মূলত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে। ১২ থেকে ১৪ জুলাই – তিনদিন ধরে বেশ কয়েকটি গ্রামে জনসংযোগ করেছেন প্রতিনিধিরা। পুরাতন মালদহের (Malda) মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আদমপুর সীমান্ত গ্রামে জেলাশাসক, সাংসদ, বিধায়কের উপস্থিতিতে আলোচনামূলক অনুষ্ঠান হয়। এই সভায় গ্রামবাসীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। নিজেদের প্রয়োজন ও সমস্যার কথা বিশদে জানান তাঁরা।

মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুরের সীমান্ত গ্রামে জনসংযোগমূলক অনুষ্ঠান

জানা যাচ্ছে, প্রচলিত ঊর্ধ্বমুখী পরিকল্পনার পরিবর্তে এমন ছোট ছোট স্তরে প্রচারের উদ্যোগ নিয়ে নিম্নমুখী পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য একটাই, গ্রামবাসীদের মতামত গ্রহণ করে ভিলেজ অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পগুলির সমন্বয়ের মাধ্যমে মৌলিক পরিষেবার শতভাগ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং জীবিকাভিত্তিক সুযোগ আরও বাড়ানো। সড়ক, ডিজিটাল সংযোগ, ইকো-ট্যুরিজম এবং স্থানীয় সমবায় শক্তিশালী করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এই কর্মসূচি।

এনিয়ে মালদহের (Malda) জেলাশাসক শ্রী রাজনবীর সিং কাপুরের কথায়, “জনঅংশগ্রহণভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা প্রকল্পগুলির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল স্তর থেকে সব দেখে ফলাফল নিশ্চিত করছি। আমার গ্রাম আমার কল্পনা – এটি মালদা জেলা প্রশাসনের একটি বিশেষ উদ্যোগ, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস প্রোগ্রামের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যেখানে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে দেশের শেষ নয়, বরং প্রথম গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।” পুরাতন মালদহের বিধায়ক শ্রী গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, “গ্রামবাসীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন আমাদের বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়তা করে।” মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি, “ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম স্থানীয় চাহিদা ও জাতীয় উন্নয়ন ভাবনাকে একত্রিত করে সীমান্ত এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।”

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker