অভিষেকের পর এবার মমতার মুখেও একই নাম, সীমা খান্না! কে তিঁনি?

বাংলা হান্ট ডেস্ক: আবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে সীমা খান্নার (Seema Khanna) নাম। এর আগেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সীমা খান্নার নামে অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার আবার সেই একই নাম শোনা গেল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে, যাকে নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতিতে।
সীমা খান্নার(Seema Khanna) বিরুদ্ধে তৃণমূলের কী অভিযোগ?
ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে সীমা খান্নাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় জানা গেছিল কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি শাখার ডিআইজি পদে রয়েছেন সীমা খান্না। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেও এই সীমা খান্না বাংলায় এসেছিলেন বলে শোনা গেছে। তার ব্যাপারে জানা যাচ্ছে যে, তিনি ভারত সরকারের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে ন্যাশনাল ইনফরমেটিভ সেন্টারে উপ-মহা পরিচালক ও অপারেশনস ডিরেক্টর। সেই সঙ্গে একজন বিশিষ্ট পেশাদার ব্যক্তিত্ব, যার পঁচিশ বছরের বেশি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সীমা খান্না বিহারের বাসিন্দা। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের আরোগ্য সেতু অ্যাপ টি তৈরি করেছিলেন। পাটনার নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক পাস করেন সীমা। তারপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পান তিনি দিল্লির একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
আরও পড়ুন:ভুলেও তুলবেন না লেপ-কম্বল! বুধে রাজ্যের চার জেলায় সতর্কতা: আগামীকালের আবহাওয়া
সীমা খান্নার বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ যে, তিনি কমিশনের অ্যাপ ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল কলকাঠি নেড়েছেন। অভিষেকের পর এবার মমতার মুখেও সেই একই নাম, নির্বাচন কমিশনের বাইরে বেরিয়ে এসে তিনি সোমবার বলেছেন, ‘এখানে ৫৮ লক্ষ লোকের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন, বিজেপির আইটি সেলের।”
আরও পড়ুন:৩৫০ কিমি বেগে ছুটবে বুলেট ট্রেন, দেশজুড়ে সাত জোড়া হাইস্পিড লাইনের ঘোষণা রেলের

সীমা খান্নাকে ২০২১ সালে জাতীয় তথ্য কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করেন মোদী সরকার। তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছেন। বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের সিকিউরিটি খাতে কাজ করার বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে সীমা খান্নার।



