পেট্রোল-ডিজ়েলের মূল্যবৃদ্ধির জোড়া ধাক্কা! বাড়তে পারে বাজার খরচ ও যাতায়াত ভাড়া

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার প্রভাব এবার পড়তে পারে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে। ব্যারেল প্রতি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পর দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বাড়ানো হয়েছে। তার জেরেই পরিবহন খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর পরিবহন খরচ বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে বাজারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে সবজি, ফল, দুধ থেকে শুরু করে বিমানের টিকিট, ক্যাব ভাড়া এবং ডেলিভারি চার্জ, একাধিক ক্ষেত্রেই খরচ বাড়তে পারে (Price Hike)।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির (Price Hike) প্রভাব
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৩ ডলারে পৌঁছেছে। তার জেরেই দেশে লিটার প্রতি প্রায় ৩ টাকা করে বেড়েছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি পরিবহন ব্যবস্থার উপর প্রভাব ফেলে। ফলে বিভিন্ন পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার খরচও বাড়তে (Price Hike) শুরু করে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারে (Price Hike)। কারণ শাকসবজি, ফলমূল, দুধ বা প্যাকেটজাত খাবারের মতো পণ্য মূলত ডিজেলচালিত ট্রাকের মাধ্যমেই বিভিন্ন রাজ্যে পৌঁছয়। জ্বালানির দাম দীর্ঘদিন বেশি থাকলে ব্যবসায়ীরা সেই বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের উপর চাপিয়ে দিতে বাধ্য হন। ফলে টমেটো, পেঁয়াজ, দুধ, ভোজ্য তেল-সহ একাধিক পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে চাপ বাড়তে পারে বিমান পরিষেবাতেও। হরমুজ প্রণালী ঘিরে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক রুটে বিমান ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ছুটির মরসুমে অভ্যন্তরীণ উড়ানের টিকিটের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে অনলাইন পরিষেবাতেও। ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ একটি বড় অংশ। তাই আগামী দিনে ডেলিভারি চার্জ বা প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে দিল্লিতে সিএনজির দামও প্রতি কেজিতে ২ টাকা বেড়েছে। এর ফলে অটো ও ট্যাক্সির ভাড়াও বাড়ানোর দাবি আরও জোরালো হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ ‘এই রায় মানুষের..’, বাংলার ভোট ফল নিয়ে ফের বিস্ফোরক তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক
কৃষিক্ষেত্রেও বাড়তে পারে চাপ (Price Hike)। ট্রাক্টর, সেচ পাম্প এবং ফসল পরিবহনের জন্য কৃষকদের বড় অংশই ডিজেলের উপর নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে চাষের খরচও বেড়ে যায়। বিশেষ করে বীজ বপন এবং ফসল কাটার মরসুমে কৃষকদের অতিরিক্ত সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।



