0%

বিশ্বকাপের ‘দ্বিতীয়’ উদ্বোধনী মঞ্চে আগুন ধরালেন নোরা, কানাডা কাঁপালেন ‘বাংলাদেশি’ ডিজে

দিনটা কানাডার ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয়। প্রথমবার তারা নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। যে মাঠে তারা বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে নামতে চলেছে, সেখান থেকে প্রায় ৭ কিমি দূরে বিখ্যাত নেথান ফিলিপস স্কোয়ার। টরন্টো সিটি হলের সামনে অবস্থিত। শীতে এখানে প্রচুর মানুষ আইস স্কেটিং করে। চারপাশে কিছু ফোয়ারাও আছে। সেই সব বদলে গিয়েছে। এখন সেখানে এবারের ফিফা বিশ্বকাপের থিম শোভা পাচ্ছে। ছোট্ট একটা মাঠও তৈরি হয়েছে। যা নিয়ে গোটা স্কোয়ারে উন্মাদনা। বহু মানুষ জড়ো হচ্ছেন। অনেকে খোশমেজাজে ফুটবল খেলছেন। কেউ একচিলতে রোদ মেখে সেলফিও তুলছেন। তাঁদেরই অনেকে এদিন জাতীয় দলের লাল জার্সি গায়ে চাপিয়ে স্টেডিয়ামমুখো একটু আগেভাগেই। কারণ? ম্যাচের আগে তাঁদের জন্য দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

হ্যাঁ, দ্বিতীয় দিনেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান! মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ বোধন হয়ে গেলেও বাকি ছিল কানাডা ও আমেরিকা। কানাডায় এদিন প্রথমবার বিশ্বকাপের ‘সাইরেন সং’। সেই উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট। যা দেখতে কানাডার সমর্থকদের পাশাপাশি ভিড় জমালেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সমর্থকরাও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হল কানাডার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। তাদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে জগতের এই ফুটবল-যজ্ঞ। শেখাবে সূত্রধরের কাজ করেন কানাডিয়ান গায়ক উইলিয়াম প্রিন্স। এরপর লাল পোশাক পরা একদল লাস্যময়ী মঞ্চে এসে একটি বিশাল ফুটবলের সোনালি আবরণ সরিয়ে দিলেন। হাজির হন কানাডিয়ান গায়িকা আলেসিয়া কারা। তিনি ‘ওয়াইল্ড থিংস’ ও ‘ফায়ার’ গেয়ে দর্শকদের আনন্দ দিলেন।

পরে মঞ্চে আসেন বলিউডের ‘দিলবর গার্ল’ নোরা ফতেহি, ভেজেড্রিম ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয়। গানের তালে তালে নেচে-গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন। তাঁদের পারফরম্যান্সে গোটা স্টেডিয়াম মুখর। নোরা ‘সির সির’ গানে মঞ্চে আগুন ঝরান। এরপর জেসি রেয়েজ ও এলিয়ান্নার ‘ইলুমিনেট’ গান। গানটি ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামের গানগুলোর একটি। নানা দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অন্য মাত্রা পায়।

এই বিষয়ে আরও খবর

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker