0%

ব্যাট হাতে নামলেই কেন গম্ভীর হয়ে যান ঈশান? সতীর্থকে নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক

খেলা শুরুর আগে বা পরে সতীর্থদের সঙ্গে হাসি-মশকরায় মেতে থাকতে ভালোবাসেন ঈশান কিষান। সোশাল মিডিয়ায় খুঁজলেই পাওয়া যাবে ভারতীয় উইকেটরক্ষকের বেশ কিছু মজাদার ভিডিও। কিন্তু ব্যাট হাতে বাইশ গজে অবতীর্ণ হলেই মেজাজ বদলে যায় তাঁর। তখন হাসি-ঠাট্টা ‘দূর কি বাত’! কেন এমন হয় ঈশানের? সেই রহস্যই ফাঁস করলেন অভিষেক শর্মা।

ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র ৪০ বলে ১০৮ রানের জুটি গড়েন অভিষেক ও ঈশান। বলা চলে, দুই ব্যাটারই বড় রানের ভিত গড়ে দেন টিম ইন্ডিয়ার জন্য। ম্যাচের পরে ঈশানের ‘গম্ভীর’ মেজাজ নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক। ভারতীয় ওপেনার জানান, ব্যাট করতে নামার পর যেন অন্য জগতে চলে যান ঈশান। সেই সময় তাঁকে হাসানো কার্যত অসম্ভব। অভিষেকের কথায়, “ব্যাট করতে নামলে ঈশান আর হাসে না। তখন ও পুরোপুরি অন্য জগতে থাকে। আমি ওকে হাসানোর চেষ্টা করি, যাতে চাপটা একটু কমে। কিন্তু ওকে হাসানো সত্যিই খুব কঠিন।”

গত কয়েক মাসে একাধিক বার জুটি বেঁধেছেন অভিষেক ও ঈশান। দু’জনের মধ্যে বোঝাপড়াও বেশ ভালো। একসঙ্গে ব্যাট করতে নেমে সেই সুবিধা পান তাঁরা। অভিষেক বলেন, “আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া খুব ভালো। সেই কারণেই বেশ কয়েকটা ভালো জুটি হয়েছে। আইপিএলেও আমরা একসঙ্গে খেলেছি। একে অপরের খেলার ধরনও জানি। হয়তো সেই কারণেই একসঙ্গে ব্যাট করতে ভালো লাগে।” ঈশানকে চাপমুক্ত রাখতেও নিজের মতো করে চেষ্টা করেন অভিষেক। তাঁর মতে, ইনিংসের শুরুতে কয়েকটি বড় শট খেলতে পারলে প্রতিপক্ষের উপর চাপ তৈরি হয়। তাতে ঈশানের পক্ষে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলা সহজ হয়ে যায়।

অভিষেকের কথায়, “ঈশান তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামলে ওর উপর চাপ থাকে। শুরুর কয়েকটা বল খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় আমি বড় শট খেলার চেষ্টা করি। যাতে ওর চাপ কমে। তার পরে ও নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে।” তাঁর সংযোজন, “আমরা পরিস্থিতি নিয়ে বা প্রতিপক্ষের বোলারদের নিয়ে বেশি ভাবি না। নিজেদের খেলা উপভোগ করি। পাশাপাশি একে অপরকে যতটা সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করি।”

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker