0%

রবিবারই কি মেসির শেষ ম্যাচ? রহস্যময় জবাব স্কালোনির, চাপমুক্ত থাকার বার্তা মেসির

বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, আদৌ তিনি এবারের বিশ্বকাপে খেলবেন কি না। কিন্তু সমস্ত সংশয় দূর করে মেসি শুধু মাঠেই নামেননি, নেতৃত্ব দিয়ে আর্জেন্টিনাকে পৌঁছে দিয়েছেন আরও একটি বিশ্বকাপ ফাইনালে। স্পেনের বিরুদ্ধে মেগা যুদ্ধের আগে রবিবারের ফাইনাল দেশের জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ কি না, সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবলমহলে।

ফাইনালের আগে এক অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি রহস্য বজায় রাখেন তিনি। মাত্র দুই শব্দে উত্তর দেন, “লিওকে জিজ্ঞাসা করুন।” এরপর অবশ্য মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা যায় স্কালোনি। তাঁর মতে, মেসি এখন শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি ইতিহাসের অংশ। “মেসি নিখাদ ইতিহাস। একজন কিংবদন্তি। ৩৯ বছর বয়সে আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা অবিশ্বাস্য। ও মাঠে থাকা পর্যন্ত আমাদের শুধু ওর খেলা উপভোগ করা উচিত। দিয়েগো মারাদোনাকে আমরা মিস করি। কিন্তু মেসি এখনও ইতিহাস লিখে চলেছে। এই দলের সঙ্গে ও যা অর্জন করেছে, তা আমরা সারাজীবন মনে রাখব।” বলেন আর্জেন্টিনা কোচ।

ফাইনাল যুদ্ধের আগে অনুশীলনের ফাঁকে মেসি। ছবি সংগৃহীত।

স্কালোনিরও সংযোজন, “মেসি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। এ কথা বলতে পারা আমার কাছে গর্বের।” তবে ফাইনালের আগে ফিফার সূচি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ। নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম না দিয়েই দুপুরের গরমে অনুশীলনের সময় নির্ধারণ করায় ক্ষুব্ধ তিনি। তাঁর কথায়, “আমরা বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছি। অথচ এমন সময়ে অনুশীলনের সূচি দেওয়া হয়েছে, যা আমাদের পছন্দ ছিল না। সাংবাদিক সম্মেলন-সহ নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে তাড়াহুড়ো করে অনুশীলন করতে হয়েছে। নতুন কিছু নিয়ে কাজ করার সুযোগই পাইনি। টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এসে বেশি বিশ্রাম দরকার হয়। কিন্তু এখানে ঠিক উলটোটা হচ্ছে। মায়ামির গরমে খেলার পর আবার দুপুরে অনুশীলন করতে হচ্ছে। বিশ্রামের বিষয়টি গুরুত্বই পাচ্ছে না।”

এদিকে, ব্রাজিলের কাফুর পর বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামছেন মেসি। ফাইনালকে ঘিরে বাড়তি চাপ অনুভব করছেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বলেন, “গতবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল আমার কাছে অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সেটা এখন অতীত।” দলের মানসিক দৃঢ়তার উপর ভরসা রেখে মেসি মনে করেন, ফাইনালকে ঘিরে আলাদা করে চাপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা সবাই আবেগ দিয়ে ফুটবল খেলি। স্কুলে, রাস্তায় কিংবা যে কোনও মাঠে, সবসময় খেলাটাকে উপভোগ করতে চেয়েছি। ছোটবেলায় পাড়ার মাঠেই আমাদের ফুটবলের শুরু।”

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker