No candidate from TMC in Nandigram by election, CM Suvendu Adhikari taunts

প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব সামলে এবার সাংগঠনিক কাজও প্রত্যক্ষভাবে দেখভাল শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার মেচেদায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন তিনি। সেখানেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু। ইঙ্গিত দিলেন, আগামী ২ মাসের মধ্যে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হবে। তবে দলের প্রার্থী নিয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ। তবে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘‘নন্দীগ্রাম নিয়ে কিছু বলছি না। বলছি, স্থানীয় স্তরে ভোট হলে কী কালীঘাট তৃণমূল, কী নতুন তৃণমূল, কেউ ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। ওরা আগে প্রার্থী দিতে পারুক, তারপর বলব।”
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘স্থানীয় স্তরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতুব্রত তৃণমূলের অবস্থা এক। প্রত্যেকের বেহাল দশা। ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। দুটো জিনিসের উপর ভর করে তো তৃণমূল ছিল। এক হলো পুলিশ আর দুই আইপ্যাক। এখন তো পুলিশ নেই, সরকার বদল হয়ে গেছে। আর আইপ্যাক তো ভোটের আগেই পাট গুটিয়ে চলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে, সিন্ডিকেট বন্ধ হয়েছে, রাস্তায় হাত পাতা বন্ধ হয়েছে। রাজ্যে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। আর একটু সময়, ধৈর্য ধরুন।”
রবিবার মেচেদায় দীর্ঘক্ষণ ধরে বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির জনপ্রতিনিধি, মণ্ডল কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, মন্ত্রী হরেকৃষ্ণ বেরা, অশোক দিন্দা, বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী, সিন্টু সেনাপতি, নির্মল খাঁড়া, সুভাষচন্দ্র পাঁজা, প্রদীপ বিজলী-সহ জেলার একাধিক জনপ্রতিনিধি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন। তারই মধ্যে অন্যতম তৃণমূলেরল নির্বাচনী লড়াই।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘স্থানীয় স্তরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতুব্রত তৃণমূলের অবস্থা এক। প্রত্যেকের বেহাল দশা। ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। দুটো জিনিসের উপর ভর করে তো তৃণমূল ছিল। এক হলো পুলিশ আর দুই আইপ্যাক। এখন তো পুলিশ নেই, সরকার বদল হয়ে গেছে। আর আইপ্যাক তো ভোটের আগেই পাট গুটিয়ে চলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে, সিন্ডিকেট বন্ধ হয়েছে, রাস্তায় হাত পাতা বন্ধ হয়েছে। রাজ্যে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। আর একটু সময়, ধৈর্য ধরুন।” ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুরের পাশাপাশি নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন হবে। তাতে বিরাট ব্যবধানে জয়ের আশা বিজেপির। এদিন রীতিমতো তথ্য-পরিসংখ্যান দিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ‘‘এখন ৫৬ শতাংশ ভোট পড়ছে, আগামী দিনে পূর্ব মেদিনীপুরে যে কোনও নির্বাচনে তা ৭০ শতাংশ হয়ে দাঁড়াবে।বিরোধীরা প্রার্থী দেওয়ার লোক খুঁজে পাবে না।”
শেয়ার
লিংক



