0%

Supreme Court on CJP Protest: ‘আমাদের সময় নষ্ট করবেন না…’, ‘ককরোচ’দের উপরে পুলিশি লাঠিচার্জের ভিডিয়ো দেখতেই চাইলেন না প্রধান বিচারপতি

ককরোচদের উপরে অত্যাচারের কথা কেন শুনলেন না প্রধান বিচারপতি?Image Credit: PTI

নয়া দিল্লি: ‘ভিডিয়ো দেখতে আগ্রহী নই আমরা, দেখার সময় নেই আমাদের’- সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এই কথাই বললেন। ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযানে পড়ুয়া বিক্ষোভকারীদের উপরে পুলিশের লাঠিচার্জ অভিযান নিয়ে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই এই কথা বললেন প্রধান বিচারপতি। জরুরি আর্জির আবেদন খারিজ করে দেওয়া হল।

বুধবার, সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আর্জি করা হয়েছিল। সোমবার, (২০ জুলাই) ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযানে পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের উপরে অত্যাচার করেছে পুলিশ, বেধড়ক লাঠি চার্জ করা হয়েছে, এই অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপের আর্জি জানানো হয়। তবে শীর্ষ আদালত এই আর্জি খারিজ করে দেয়। আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না। এবং নিজের সময়ও নষ্ট করবেন না।”

কাউন্সিলের দাবি ছিল, পড়ুয়ারা নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিতে পরিবর্তন সহ জনগণের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল। আইনজীবীকে মাঝপথে থামিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “থ্যাঙ্ক ইউ ভেরি মাচ”।

এরপরই আইনজীবী পুলিশের নির্মমতা তুলে ধরতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের উপরে লাঠিচার্জের ভিডিয়ে দেখাতে চান। তখন প্রধান বিচারপতি কড়া সুরে বলেন, “আমাদের কাছে সময় নেই। আমরা ভিডিয়ো দেখতে চাই না।”

প্রসঙ্গত, ককরোচ জনতা পার্টি, যারা নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তাদের দলের নামও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মন্তব্য থেকেই তৈরি হয়েছে। দেশের বেকার যুবকরা যারা সাংবাদিকতা ও সমাজকর্মে যুক্ত হচ্ছেন, তাদের ‘ককরোচ’ বলেছিলেন। এরপরই দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। পরে বিতর্ক থামাতে তিনি বলেছিলেন যে যারা ভুয়ো ডিগ্রি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তাদের ককরোচ বলেছিলেন।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্যের পরই ককরোচ জনতা পার্টির জন্ম হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। দুই মাসের মধ্যেই তার লক্ষাধিক ফলোয়ার্স হয়। এরপর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ময়দানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি।

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যন্তর মন্তরে ধর্ণায় বসেছিল সিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে অনশনে বসেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। গত ১৮ জুলাই তাঁকে দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভস্থল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker