0%

‘নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হলে বিদেশিদের তাড়ানো যায় না’, সুপ্রিম কোর্টে বলল কেন্দ্র

অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে কেউ গ্রেপ্তার হলে তাঁকে সরাসরি পুশব্যাক। একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্য সম্প্রতি এই নীতি নিয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র খানিকটা অন্য অবস্থানের কথা জানাল। নরেন্দ্র মোদি সরকার শীর্ষ আদালতে জানাল, ‘কোনও বিদেশি কোন দেশের নাগরিক সেটা নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দেশ থেকে তাড়ানো যায় না।’

আসলে এই মুহূর্তে অসমের বিভিন্ন বন্দিশিবিরে ২৭০ জন ব্যক্তি আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৩ জন ইতিমধ্যেই বিদেশি নাগরিক বলে চিহ্নিত। বিচারপতিরা বলেছেন, একবার কোনও ব্যক্তিকে বিদেশি বলে চিহ্নিত করা হলে যুক্তিযুক্ত হতে হবে পরের পদক্ষেপ। কাউকে অনন্তকাল আটকে রাখা যায় না। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, ‘চাইলেও অল্প সময়ে বিদেশিদের ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। কারণ যে দেশের তিনি প্রকৃত নাগরিক, সেই দেশের সরকার ওই ব্যক্তির পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করে প্রত্যর্পণ অনুমোদন করলে, তবেই সেই ব্যক্তিকে ওই দেশে ফেরত পাঠানো যেতে পারে।’

কেন্দ্র জানিয়েছে, কোনও বিদেশির নাগরিকত্ব অজানা থাকলে বা যাচাই করা না-গেলে তাঁকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায় না। সেই দেশের দূতাবাস যদি না সেই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করে। সরকার জানাচ্ছে, কোনও বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা না থাকলেই তাঁকে বিদেশে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। তবে সেটা একমাত্র সেই দেশ তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করলেই। সমস্যা হল অসমে যারা আটকে আছেন তাঁদের অধিকাংশেরই পরিচয় নিশ্চিত করেনি বাংলাদেশ।

বেআইনি অনুপ্রবেশ নিয়ে মোদি সরকারের নীতি স্পষ্ট। কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করার পক্ষে নয় নয়াদিল্লি  সমস্যা হল, ভারতে যে সব অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হয়ে আটকে রয়েছে, তাঁদের ফেরানোর ক্ষেত্রে প্রতিবেশীদের থেকে সহযোগিতা নয়াদিল্লি পাচ্ছে না।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker