0%

BJP worker alleges that TMC used to harass them for working for BJP

বিজেপি (BJP) করার অপরাধে করানো হয় কান ধরে উঠবস! এমনকী দেওয়া হয় বিধবা করে দেওয়ার হুমকিও। বাংলার মসনদে পরিবর্তন হতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় কাঁকসার গোপালপুর উত্তর পাড়ার বিজেপির মহিলা কর্মীরা। অভিযোগ, পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূল পরিচালিত কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাধিপতি জয়জিৎ মন্ডল ও তৃণমূল নেতা রমেন মন্ডল ছিলেন। ফলে এই ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি দাবি জানিয়েছেন আক্রান্ত মহিলারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। যদিও স্থানীয় তৃণমূলের দাবি, ”যদি কেউ অন্যায় করে তাহলে তার বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অনেককে মিথ্যা অভিযোগেও ফাঁসানো হচ্ছে।”

এই বিষয়ে আরও খবর

গত ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় বহু বিজেপি নেতা কর্মীকে আক্রান্ত হতে হয় বলে অভিযোগ। নতুন করে সেই সমস্ত ঘটনার ফাইল খুলছে। শুরু হচ্ছে তদন্ত। এরমধ্যেই বিস্ফোরক দাবি কাঁকসার বিজেপি কর্মীদের। তাঁদের অভিযোগ, ২০২১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্নভাবে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছিল। রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় পরিবারের সদস্যদের। এমনকী বিধবা করে দেওয়া হবে বলেও অভিযোগ মহিলাদের। অপরাধ একটা, তাঁরা বিজেপি করতেন। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এমনই ছিল যে স্থানীয় থানাতেও প্রাণের ভয়ে কোনও অভিযোগ জানাতে পারেননি তাঁরা। কিন্তু তবুও বিজেপি থেকে সরে যাননি।

অভিযোগ, ২০২১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্নভাবে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছিল। রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় পরিবারের সদস্যদের। এমনকী বিধবা করে দেওয়া হবে বলেও অভিযোগ মহিলাদের। অপরাধ একটা, তাঁরা বিজেপি করতেন।

রমা মল্লিক নামের এক মহিলা অভিযোগ করেন, ”বিজেপি করাটা ছিল আমাদের অপরাধ। তাই ২০২১ এর পর আমাকে বাড়ি থেকে টেনে বের করা হয়েছিল। কান ধরে উঠবস করিয়েছিল। হুমকি দেওয়া হয়েছিল আর জীবনে বিজেপি না করার। সেই অভিযোগ আমরা এতদিনে জানালাম।” মধুমিতা সরকার নামের আরেক মহিলার অভিযোগ, আমার শ্বশুরমশাই খাবার খাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ করেই তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী কলার ধরে তাঁকে টেনে বাড়ির বাইরে করে বেধড়ক মারধর করে। শুধু তাই নয়, সাদা থান পড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওই বিজেপিকর্মীর। তাঁদের কথায়, আশা ছিল অবস্থার বদল ঘটবে। আর তাই সবাই একত্রিত হয়ে অভিযোগ জানালাম।

এই বিষয়ে আরও খবর

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker