0%

Tmc leader beaten by public for cutmoney in Dubrajpur

পরনে জামা নেই। পরিমরি হয়ে ছুটছেন একজন, পিছনে তেড়ে ক্ষিপ্ত জনতা। উড়ে আসছে একের পর এক কিল, চড়, ঘুষি। পায়ের চটি তুলে কেউ মারছেন সপাটে। এমন ছবি দেখা গেল বীরভূমের দুবরাজপুরে। তৃণমূল নেতাকে হাতে পেয়ে কাটমানি আদায় করতে জামা খুলিয়ে গোটা এলাকা তাড়িয়ে ছোটালেন বিক্ষুব্ধরা।

এলাকাবাসীরা বলছেন, “কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, কেউ আবার ৩০ হাজার পর্যন্ত দিয়েছেন ওই কাউন্সিলরকে।” অভিযোগ, আবাসের নামে টাকা আদায় করলেও কাউকে ঘর দেননি তিনি।

টাকা দিলে তবেই মিলবে আবাসের ঘর! অভিযোগ, দুবরাজপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ভাস্কর রুজের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে আবাসের ঘর দেওয়ার নাম করে গরিব মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আদায় করেছেন। এলাকাবাসীরা বলছেন, “কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, কেউ আবার ৩০ হাজার পর্যন্ত দিয়েছেন ওই কাউন্সিলরকে।” অভিযোগ, আবাসের নামে টাকা আদায় করলেও কাউকে ঘর দেননি তিনি। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার অভিযোগ, “৪ তারিখের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ওই কাউন্সিলর ও তাঁর দলবল। আজকে তারই রোষ উগড়ে দিয়েছেন মানুষ। ক্ষমা চাওয়া তো দূর, কাউন্সিলর ভয়ে ঘর থেকেই বেরোচ্ছেন না।”

স্থানীয়রা বলছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূল কাউন্সিলরের টিকি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ভয়ে এমন জায়গায় গা ঢাকা দিয়েছেন, স্থানীয়রা পর্যন্ত তাঁর হদিশ পাননি।”

সরকার বদলাতেই ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকা। স্থানীয়রা বলছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূল কাউন্সিলরের টিকি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ভয়ে এমন জায়গায় গা ঢাকা দিয়েছেন, স্থানীয়রা পর্যন্ত তাঁর হদিশ পাননি।” যার জেরে কার্যত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে এদিন। কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় গড়াই ওরফে ধনু মাস্টারকে নাগালে পেতেই শুরু হয় বেধড়ক মারধর। ‘টাকা ফেরতের দাবিতে জামা খুলিয়ে রীতিমতো গোটা এলাকায় ওই নেতাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মারধর করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker