কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে নয়া নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জাতিগত শংসাপত্র (Caste Certificate) পেতে জমির পুরোনো দলিল আর দেখাতে হবে না সাধারণ মানুষকে। রাজ্যের অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শংসাপত্র পাওয়া বা পুনরায় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জমির দলিল আর বাধ্যতামূলক নয়। বিভিন্ন জেলায় ১৯৫০ সালের আগের জমির নথি চাওয়া নিয়ে অভিযোগ ও অসন্তোষ বাড়ার পরই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
জাতিগত শংসাপত্রের (Caste Certificate) নতুন নির্দেশিকা
রাজ্যের অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তরের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতিগত শংসাপত্রের (Caste Certificate) জন্য আবেদন করার সময় জমির দলিল না থাকলেও সমস্যা হবে না। তার পরিবর্তে আবেদনকারী ভোটার কার্ড, আধার কার্ড বা রেশন কার্ড জমা দিতে পারবেন। এছাড়া বাবা-মায়ের জাতিগত শংসাপত্রও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।দপ্তর আরও জানিয়েছে, কেউ যদি নিজের তফসিলি জাতি (SC) বা তফসিলি জনজাতি (ST) পরিচয় প্রমাণের জন্য বংশতালিকা বা বংশলতিকা জমা দিতে পারেন, সেটিকেও বৈধ নথি হিসেবে ধরা হবে।
সম্প্রতি বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের তরফে জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীদের কাছে ১৯৫০ সালের আগের জমির দলিল চাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এত পুরোনো নথি অনেক পরিবারের কাছেই নেই। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার পুরোনো নিয়মের কথা ফের মনে করিয়ে দিয়েছে। দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের সরকারি নির্দেশিকাতেও জমির দলিলকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। সেই নীতিকেই রাজ্যজুড়ে সমানভাবে কার্যকর করতে নতুন করে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ SSC-র বিজ্ঞপ্তির পরই নতুন জট! নথি যাচাইয়ের দিন নিয়েই উদ্বেগে ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা
সরকারি সূত্রের বক্তব্য, জাতিগত শংসাপত্র (Caste Certificate) ইস্যু এবং পুনঃযাচাইয়ের ক্ষেত্রে সব জেলা ও মহকুমায় একই নিয়ম মেনে কাজ নিশ্চিত করতেই এই স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে আবেদনকারীদের জমির দলিল না থাকলেও বিকল্প নথি দেখিয়ে জাতিগত শংসাপত্রের জন্য আবেদন বা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।




