0%

মরুভূমির আড়ালে বিরাট ঘাঁটি, মোতায়েন ৮০টি পারমাণবিক মিসাইল! চিনা প্রযুক্তিতে হতবাক আমেরিকা

আপাতদৃষ্টিতে পরিত্যক্ত মরুভূমি। সেখানেই পারমাণবিক অস্ত্রের এক বিরাট ঘাঁটি গড়ছে চিন। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমন বিরাট সামরিক পরিকাঠামো অতীতে কখনও দেখা যানি। প্রায় হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে একাধিক সামরিক পরিকাঠামো সাজাচ্ছে চিন। অন্তত ৮০টি লঞ্চপ্যাড তৈরি হচ্ছে যেখান থেকে নিখুঁত আক্রমণ শানাতে পারে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলি। ড্রাগনের এমন শক্তিবৃদ্ধি চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারত থেকে আমেরিকা সব দেশেরই।

চিনের এই নতুন সামরিক ঘাঁটির কেন্দ্রে রয়েছে অষ্টভুজ দু’টি পরিকাঠামো। গত ৬ বছর ধরে তৈরি হওয়া এই দুই স্থানে রয়েছে বাঙ্কার, মিসাইল মোতায়েন কেন্দ্র, সাঁজোয়া গাড়ি চলাচলের পথ ইত্যাদি। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এই অষ্টভুজগুলি থেকে পাকা রাস্তা ছড়িয়ে পড়েছে আশেপাশের মরু অঞ্চলগুলিতে। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়া এই বিরাট পরিকাঠামো দেখে বিশ্লেষকদের অনুমান, পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষমতাতেই শান দিচ্ছে লাল ফৌজ। একইসঙ্গে সামরিক ঘাঁটির এহেন অবস্থান বিপক্ষকে বিভ্রান্ত করবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:

আমেরিকার পারমাণবিক প্রকল্পে যুক্ত হান্স ক্রিস্টেনসেন স্পষ্ট জানিয়েছেন, “এটা অনবদ্য প্রকল্প। আমি জীবনে এরকম দেখিনি।” আমেরিকাকে টেক্কা দিতেই চিনের এই বিরাট সামরিক কর্মকাণ্ড। কিন্তু তার ফল কি ভারতকেও ভুগতে হবে?

আগামী চার বছরের মধ্যে অন্তত এক হাজার পরমাণু অস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে এগোচ্ছে চিন, এমনটাই জানা গিয়েছিল। তার মধ্যে রয়েছে অন্তত ১০০টি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল। সেই মিসাইলগুলি মজুত থাকতে পারে মরুভূমির এই কেন্দ্রে। পাশাপাশি উন্নত ওয়ার্নিং সিস্টেম বানানোর চেষ্টা করছে চিন। যার ফলে উড়ে আসা মিসাইল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চিহ্নিত করা যাবে। মিসাইল আঘাত হানার আগেই পালটা আক্রমণ শানাতে পারে এই নতুন ডিফেন্স সিস্টেম। এই অষ্টভুজ কেন্দ্রগুলির বাইরেও এমন পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে যার ফলে একেবারে আড়াল থেকেও মিসাইল হামলা চালানো যাবে।

ড্রাগনের এহেন বিরাট সামরিক পরিকাঠামোর অনেকটাই গোপনে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কিন্তু যেটুকু তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতেই অবাক মার্কিন সামরিক বিজ্ঞানীদের অনেকে। আমেরিকার পারমাণবিক প্রকল্পে যুক্ত হান্স ক্রিস্টেনসেন স্পষ্ট জানিয়েছেন, “এটা অনবদ্য প্রকল্প। আমি জীবনে এরকম দেখিনি।” মনে করা হচ্ছে, তাইওয়ান সংঘাতের জেরে আমেরিকাকে টেক্কা দিতেই চিনের এই বিরাট সামরিক কর্মকাণ্ড। কিন্তু তার ফল কি ভারতকেও ভুগতে হবে?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker