0%

হরমুজে ইরানি সেনার নৌকা লক্ষ্য করে মার্কিন হামলা, মৃত অনেকে, ট্রাম্পের ‘একগুঁয়েমি’তেই অধরা শান্তি?

মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও দাবি করেছিলেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তি হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কয়েকঘণ্টার মধ্যে উলটো ছবিটা দেখল গোটা পৃথিবী। মঙ্গলবার ভোরে হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরান রেভোলিউশনারি গার্ডের নৌকায় হামলা চালাল আমেরিকা। এই হামলায় ইতিমধ্যেই চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়, আত্মরক্ষায় এই হামলা চালানো হয়েছে। কারণ ওই নৌকাগুলি সমুদ্রের তলদেশে মাইন পোঁতার কাজ করছিল।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, আইআরজিসির দু’টি নৌকা হরমুজ প্রণালীতে জলের তলায় মাইন পোঁতার কাজ করছিল। সেটা নজরে পড়তেই আত্মরক্ষার্থে পালটা হামলা চালায় মার্কিন ফৌজ। এখানেই শেষ নয়। বান্দার আব্বাস থেকে মার্কিন যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে আক্রমণ শানানো হচ্ছিল বলেও ওই আধিকারিকের দাবি। ইরানের এই আক্রমণের পালটা দিতে আমেরিকাও মিসাইল ছুড়েছে বলে জানান তিনি। ইরানি নৌকায় মার্কিন আক্রমণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর।

আরও পড়ুন:

গত রবিবারই শান্তিচুক্তির কথা মাথায় রেখে ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হয়েছিল তেহরান। শান্তিচুক্তি আসন্ন, এমনটা জানিয়েছিলেন রুবিও। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দ্রুত চুক্তি করতে চান না তিনি। সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে এগোতে চান। দীর্ঘায়িত হয় শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা। সেই আলোচনা চলাকালীনই ইরানের উপর হামলা চালাল আমেরিকা। প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের গড়িমসিতেই কি থামছে না মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ?

যদিও রুবিও জানিয়েছেন, এই হামলার সঙ্গে শান্তি আলোচনার যোগ নেই। তবে এই হামলার কয়েকঘণ্টা আগেই ইরানকে তোপ দেগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতেই হবে তেহরানকে। আপাতত ইরানের উপর হামলা শেষ বলেই জানা গিয়েছে মার্কিন প্রশাসন সূত্রে। শান্তি বৈঠকের জন্য ইতিমধ্যেই মধ্যস্থতাকারী কাতারের মাটিতে পা রেখেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী এবং অন্যান্য প্রতিনিধিরা। আদৌ শান্তিচুক্তি হবে? তিনমাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হবে? হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে? উত্তর অজানাই।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker