0%

‘ঠিক কতটা কষ্ট হলে এমনটা …’ পাঠভবনের ‘সিনিয়র’অনীককে স্মৃতির শ্রদ্ধাঞ্জলি লগ্নজিতার

অনীক দত্তের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিউড। একে একে কাছের দূরের মানুষ, সহ অভিনেতা-অভিনেত্রী সকলেই জানিয়েছেন গভীর শ্রদ্ধা। কেউ কথা বলতে গিয়ে ভেঙেছেন কান্নায়,কেউ করেছেন গভীর অনুযোগ। কারও কথায় শুধুই কৃতজ্ঞতা,কেউ আবার পরিচালকের কাজের নিষ্ঠা নিয়ে প্রশংসা করেছেন। কিন্তু তারই মাঝে কলকাতার এক ঐতিহ্যবাহী স্কুলের ‘সিনিয়র’ অনীককে জানানো ‘জুনিয়র ‘ লগ্নজিতার গভীর শ্রদ্ধা ও অনুভব নেটবাসীর চোখ ভিজিয়েছে। 

আরও পড়ুন:’আমির খান আর আমি টম এন্ড জেরি ছিলাম’,৩৫ বছর পরেও না পাওয়া প্রেমের স্মৃতিতে ডুবে পূজা,কী বললেন?

অনীক দত্তকে অনেকে ‘প্যানিক’ দত্ত, রগচটা,বদমেজাজী,আপোসহীন,স্পষ্টবক্তা নানা নামে সংজ্ঞায়িত করলেও লগ্নজিতার কাছে তার একটাই পরিচয় তিনি লগ্নজিতার পাঠভবনের সিনিয়র। সেখান থেকেই কর্মজগতের হিসাব নিকাশের সম্পর্কের বাইরেও দাদা অনীকের সুচিন্তিত মতামত, কমেন্টে খোঁচা,ঠাট্টা,ইয়ার্কি থেকে খোশ-গপ্পো,আড্ডা, ভালো-খারাপ,চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী ছিলেন লগ্নজিতা। দীর্ঘদিন পর ফেসবুকে পরলোকগত অনীককে উদ্দেশ্য় করেই তাই এই খোলাচিঠি লিখলেন ‘বসন্ত এসে গেছে’র গায়িকা। 

আরও পড়ুন:‘আমি ৯০ প্যাকেট স্তনদুগ্ধ দিতে পেরেছি, প্রতিদিন আধো ঘুমেও পাম্প করেছি’, আবেগে চোখ ভিজল জানকী মেহতার

অনেক গুলি রঙিন ছবি তিনি প্রয়াত পরিচালকের সঙ্গে শেয়ার করে স্মৃতির রঙিন দিনগুলোকেই স্মরণ করেছেন। একজায়গায় লগ্নজিতা লিখছেন,“যাঁরা পাঠভবনে পড়েননি তাঁরা আমাদের এই পাঠভবন প্রাক্তনীদের গদগদ সম্পর্ক দেখে বিরক্ত হয়ে বলেন, তোদের সবেতেই ন্যাকামো।কিন্তু পাঠভবন এটা করতে পারে। আমার বাবার বয়সী একজন মানুষের সঙ্গে আমার বয়সী একজনের বন্ধুত্ব করিয়ে দিতে পারে।”
শেষের দিনগুলোতে প্রায় নিয়মিত খোঁজ রাখতেন লগ্নজিতা, এরকমই ইঙ্গিত মিলেছে তার পোস্ট থেকে। COPD তে গলার তেজ কমে যাওয়া থেকে একপ্রকার মানসিক ভাবে একলা অবসন্নতার দিনগুলোর কতটা মারাত্মক সেটাও লিখেছেন। লগ্নজিতা লিখেছেন তার ভালো ও খারাপ উভয় দিক নিয়েই। ‘তুমি কারও কথা শোনো না’, এই বলে স্পষ্ট অনুযোগও করেছেন। তবে শেষ কথাটিতে ভয়ংকর মোচড় দিয়ে লিখেছেন’ঠিক কতটা কষ্ট হলে এমনটা করা যায় গো?’-এর উত্তর যে আর আসবে না তা প্রেরক নিজেও জানেন। তবে এই মৃত্যু যে কতটা হৃদয় বিদারক তা এই চিঠি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:Anik Dutta Death: ‘কোরিওগ্রাফি আর্ট ম্যাগাজিন’-র ভাঁজে মেয়েকে লেখা চিঠিই সুইসাইড নোট! পরিচালক অনীক দত্তের শেষ না বলা কথা

শেষ কৃত্যের দিনে বহু মানুষের ভিড়েও জুঁই ফুলের মালা হাতে মৃতদেহের সামনে আবেগপ্রবণ হতে দেখা যায় লগ্নজিতাকে। প্রিয় সিনিয়রকে হারিয়ে লগ্নজিতা যে আজ অভিভাবকহীন তার ইঙ্গিত দিয়েছেন গোটা চিঠিতে।

আরও পড়ুন:‘কেন সানস্ক্রিনের দরকার আছে, আমি এটাই বুঝিনা’, সূর্যের আলো মেখেই ৬৭-তেও ঝকঝকে নীতু,একী বললেন ?

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker