0%

আপনি কী সারাদিন সুপার বিজি থাকেন? জানেন তলে তলে কী চলছে ?

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যস্ততা বাড়ছে। সকাল থেকে রাত—“কাজে ডুবে আছি”, “একটু সময় নেই”, “পরে কথা বলব”—এই কথাগুলো এখন শহুরে জীবনের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চিরকাল ‘ব্যস্ত’ থাকার প্রবণতা শুধুই আধুনিক লাইফস্টাইল নয়, বরং ধীরে ধীরে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠছে।

American Psychological Association (APA) প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, যারা নিজেকে সব সময় “অত্যন্ত ব্যস্ত” বলে দাবি করেন, তাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের প্রবণতা দেখা যায়।
অপরদিকে Journal of Occupational Health Psychology-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গিয়েছে— একটানা কাজের চাপ মস্তিষ্ককে সারাক্ষণ সতর্ক অবস্থায় রাখে, যার ফলে ঘুমের সমস্যা, স্মৃতিশক্তি দূর্বল হওয়ার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কখন ব্যস্ততা সমস্যার লক্ষণ ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যস্ততা নেশায় পরিণত হলেই বিপদ। সেক্ষেত্রে অবসর পেলেই অস্বস্তি তৈরি হয়, বিশ্রাম নিলে কাজ করে অপরাধবোধ , কাজ ছাড়া নিজের কোনও পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায় না, শরীর ক্লান্ত হলেও কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা যায় না।

এই প্রবণতাকে মনোবিদরা বলছেন ‘টক্সিক প্রোডাক্টিভিটি’এক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজ মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষয় করে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার ফলে—উচ্চ রক্তচাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, হজমের সমস্যা, ইমিউনিটি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কীভাবে বাঁচবেন?

মনরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন- প্রতিদিন কিছু সময় ইচ্ছাকৃতভাবে কাজ থেকে দূরে থাকা জরুরি, বিশ্রাম নেওয়া অলসতা নয়, পরিবার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময় কাটান। কিছুদিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাইরে থেকে। ব্যস্ত থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সব সময় ব্যস্ত থাকলে পরতে পারেন মানসিক সমস্যায়।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker