ছাত্র-যুবদের নিয়ে পথে নামছে বিজেপি! ১০ হাজার জমায়েত ঘিরে নতুন রণকৌশল

SOBDIK NEWS: এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই এবার রাজপথে আরও জোরদার হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা যখন যৌথভাবে প্রতিবাদে নেমেছে, তখন সেই আন্দোলনের মোকাবিলায় নিজেদের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি (BJP)। শুধু সভা-মিছিল নয়, ছাত্র-যুবদের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দেশজুড়ে ধারাবাহিক প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নয়া স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে বিজেপি (BJP)
বিজেপির এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও, ভিড়তন্ত্র হঠাও’। চলতি সপ্তাহে কর্মসূচির সূচনা হওয়ার কথা। প্রথম পর্ব চলবে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত। দলীয় পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ছাত্র ও যুবসমাজ। তাঁদের সামনে রেখে প্রতিবাদী জমায়েতের পাশাপাশি জনসভা, বড় শহরগুলিতে সাংবাদিক বৈঠক, বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সম্মেলন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে।
দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র ও যুবদের অংশগ্রহণে মোট ২,০০০টি প্রতিবাদী সভা করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। জেলাস্তরে আয়োজিত মিছিলগুলিতে ১০ হাজার মানুষের জমায়েত ঘটানোর দায়িত্ব কেন্দ্রীয় নেতাদের দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু দলীয় কর্মীদের নয়, আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে বিজেপি।
এর পাশাপাশি, ২৩ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ‘রাষ্ট্রীয় চিন্তন সংবাদ’ নামে আলোচনা ও সম্মেলনের আয়োজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী এবং শিক্ষিত মহলের প্রতিনিধিদের এই উদ্যোগে যুক্ত করা হবে। প্রত্যেকটি সম্মেলনে অন্তত ২০০ জন আমন্ত্রিতকে উপস্থিত রাখার লক্ষ্য স্থির হয়েছে। ছাত্র ও যুবদের জন্য আরও একটি পৃথক কর্মসূচির প্রস্তুতিও চলছে। ‘ডেমোক্রেসি বনাম মোবোক্রেসি’ নামের এই পর্বে বিতর্কসভা, প্রবন্ধ লেখার প্রতিযোগিতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের মতো উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে চাইছে দল।

আরও পড়ুন : এক টিকিটেই বাস, ট্রেন, মেট্রো! লন্ডনের এই ব্যবস্থা বাংলায় চালুর ইচ্ছা অগ্নিমিত্রার
কর্মসূচির প্রচার কীভাবে হবে, তা নিয়েও দলের অন্দরে প্রস্তুতি চলছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন ইতিমধ্যেই দলীয় নেতাদের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। বক্তব্যের বিষয়বস্তু থেকে শুরু করে প্যামফ্লেট, হ্যান্ডবুক, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে কী বার্তা থাকবে, সেই সংক্রান্ত নির্দেশনাও তাতে রাখা হয়েছে।




